বিএনপির সাথে বসলে যেন সেই পোড়া মানুষগুলির পোড়া গন্ধ পাই

দ্য রিপোর্ট ডেস্ক

মে ১, ২০২৩, ১১:০০ পিএম

বিএনপির সাথে বসলে যেন সেই পোড়া মানুষগুলির পোড়া গন্ধ পাই

বিএনপির সাথে আর আলোচনার টেবিলে বসতে ইচ্ছে করে না জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বিএনপির সাথে বসলে পোড়া মানুষের গন্ধ পাওয়া যায়।

বিএনপির অন্যতম প্রধান দাবি- আসছে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে হওয়ার ব্যাপারে দলটির সাথে আলোচনায় বসবেন কিনা- মার্কিন গণমাধ্যম ভয়েস অব আমেরিকাকে দেওয়া এক সাক্ষাতকারে তিনি এ মন্তব্য করেন।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সফররত বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রায় ঘণ্টাব্যাপী সাক্ষাৎকার নেয় ভয়েস অব আমেরিকার বাংলা বিভাগ।

সাক্ষাতকারে বাংলাদেশের আসছে জাতীয় নির্বাচন, বিএনপির তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবি, র‌্যাবের ওপর নিষেধাজ্ঞা, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন নিয়ে নানা প্রশ্ন করেন সাংবাদিক শতরূপা বড়ুয়া।

র‌্যাবের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা বিষয়ক এক প্রশ্নের জবাবে  প্রধানমন্ত্রী বলেন, “যুক্তরাষ্ট্রের পরামর্শেই কিন্তু র‍্যাবের সৃষ্টি। জঙ্গিবাদ নির্মূলসহ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নে র‍্যাব গঠন করা হয়েছে। যখন একটি গণতান্ত্রিক সরকার ক্ষমতায়, আমরা সবকিছু ঠিকমতোই চালাচ্ছি, তখন হঠাৎ করে র‍্যাবের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের বিষয়টি বোধগম্য নয়।” এ বাহিনীর প্রশিক্ষণ থেকে শুরু করে সবকিছুই যুক্তরাষ্ট্র করেছে বলেও তিনি জানান।

র‍্যাবের ওপর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারে সরকার কী কী সংস্কারমূলক পদক্ষেপ নিয়েছে-এমন প্রশ্নের জবাবে শেখ হাসিনা বলেন, “র‍্যাবের কোনো সদস্য অপরাধ করলে তার বিচার হয়। র‍্যাবের কেউ অপরাধে জড়িয়ে পড়লে সঙ্গে সঙ্গে আমরা তাকে আইনের আওতায় নিয়ে আসি। যেটা অন্য কোনো দেশে নেই, এমনকি আমেরিকাতেও নেই। এই আইনের শাসনটা আমাদের দেশে আছে।”

এপ্রসঙ্গে উদাহরণ টেনে সরকারপ্রধান বলেন, “বাংলাদেশের এক প্রতিমন্ত্রীর মেয়ের জামাই র‍্যাবের সদস্য থাকা অবস্থায় একটি অপরাধে জড়িয়ে পড়েছিল। তাকেও সঙ্গে সঙ্গেই আইনের আওতায় নিয়ে আসা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে, সে শাস্তিও পেয়েছে। বিষয়টিকে আমরা এভাবেই দেখছি। সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ দমনে র‍্যাবের বিরাট ভূমিকা রয়েছে। কিন্তু হঠাৎ করেই র‍্যাবের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞার ফলে জঙ্গিরা আবার উৎসাহিত হয়ে গেল বলে মনে হয়। এটাই হলো বাস্তবতা।”

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে বাংলাদেশের প্রথানমন্ত্রী বলেন, “কোনো গোষ্ঠীকে লক্ষ্য করে এ আইন করা হয়নি, বরং যিনি অপরাধ করেন, তাকেই এর আওতায় আনা হয়।” ভয়েস অব আমেরিকাকে দেওয়া ওেই সাক্ষাতকারে রোহিঙ্গা ইস্যু, স্মার্ট বাংলাদেশ প্রসঙ্গও স্থান পায়।

Link copied!