থাই উপকূলে কার্গো জাহাজ ডুবি, ১৬ বাংলাদেশি নাবিক উদ্ধার

দ্য রিপোর্ট ডেস্ক

ফেব্রুয়ারি ৯, ২০২৬, ০১:৫৫ পিএম

থাই উপকূলে কার্গো জাহাজ ডুবি, ১৬ বাংলাদেশি নাবিক উদ্ধার

ছবি: সংগৃহীত

মালয়েশিয়া থেকে কনটেইনারভর্তি পণ্য নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরের পথে থাকা একটি কার্গো জাহাজ থাইল্যান্ডের ফুকেট উপকূলে ডুবে গেছে। তবে জাহাজে থাকা ১৬ জন বাংলাদেশি নাবিককে নিরাপদে উদ্ধার করেছে থাই নৌবাহিনী। স্থানীয় সময় শনিবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে এই দুর্ঘটনা ঘটে।

উদ্ধার তৎপরতার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে জাহাজটির বাংলাদেশি এজেন্ট আলভি লাইনস বাংলাদেশ ও সংশ্লিষ্ট ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ। জয়েন্ট মেরিটাইম রেসকিউ কো-অর্ডিনেশন সেন্টার (জেএমআরসিসি) জানায়, মালয়েশিয়ার পোর্ট কেলাং থেকে ২২৯টি কনটেইনার নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দর অভিমুখে যাত্রা করা পানামার পতাকাবাহী জাহাজটি ফুকেট উপকূল থেকে প্রায় চার নটিক্যাল মাইল দূরে হঠাৎ কাত হয়ে পড়ে। কিছুক্ষণের মধ্যেই জাহাজটি সম্পূর্ণভাবে ডুবে যায়।

জেএমআরসিসির তথ্যমতে, পরিস্থিতি দ্রুত অবনতি হওয়ায় জাহাজের মাস্টার ক্যাপ্টেন শেখ মুনির আহমেদ ‘অ্যাব্যান্ডন শিপ’ ঘোষণা করে জরুরি সংকেত পাঠান। সংকেত পাওয়ার পর থাই মেরিটাইম রেসকিউ সাব-সেন্টার তাৎক্ষণিকভাবে উদ্ধার অভিযান শুরু করে এবং বিকেল পৌনে ৪টার মধ্যেই সব নাবিককে নিরাপদে সরিয়ে নেয়।

এক বিবৃতিতে জেএমআরসিসি জানায়, থাই কর্তৃপক্ষের দ্রুত ও সমন্বিত পদক্ষেপের ফলে কোনো হতাহতের ঘটনা ছাড়াই সব নাবিককে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। উদ্ধার হওয়া সবাই বাংলাদেশি নাগরিক। বর্তমানে তারা ফুকেটের একটি হোটেলে অবস্থান করছেন এবং শারীরিকভাবে সুস্থ আছেন।

পরবর্তীতে জাহাজটির ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছে, কার্গো জাহাজটি পুরোপুরি ডুবে গেছে। থাই নৌবাহিনী ও সংশ্লিষ্ট বীমা কোম্পানির প্রতিনিধিরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। সিঙ্গাপুরভিত্তিক সিলয়েড শিপিং লাইনসের মালিকানাধীন জাহাজটি বাংলাদেশের নাফ মেরিন সার্ভিসেসের মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছিল।

জেএমআরসিসির সহকারী পরিচালক মো. জাকির হোসেন বলেন, থাই কর্তৃপক্ষের সঙ্গে প্রয়োজনীয় আইনগত ও প্রশাসনিক প্রক্রিয়া শেষে নাবিকদের দ্রুত দেশে ফেরানোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। নাবিকদের নিরাপদ প্রত্যাবর্তন নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

Link copied!