ছবি: রয়টার্স
বিশ্বকাপ ইতিহাসে প্রথম পয়েন্ট অর্জনের স্বপ্ন দেখছিল পানামা। দীর্ঘ সময় ধরে ঘানার আক্রমণ সামলে ম্যাচটিকে ড্রয়ের দিকে নিয়ে যাচ্ছিল দলটি। তবে যোগ করা সময়ের শেষ মুহূর্তে গোল হজম করে হতাশা নিয়েই মাঠ ছাড়তে হয়েছে পানামাকে।
‘এল’ গ্রুপের ম্যাচে যোগ করা সময়ের পঞ্চম মিনিটে কালেব ইয়েরেঙ্কির করা একমাত্র গোলে পানামাকে ১-০ ব্যবধানে হারিয়েছে ঘানা। এর মাধ্যমে নিজেদের প্রথম ম্যাচেই পূর্ণ তিন পয়েন্ট তুলে নিয়েছে ২০১০ বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালিস্টরা।
টরন্টোতে অনুষ্ঠিত ম্যাচে শেষ বাঁশি বাজার ঠিক আগে বদলি খেলোয়াড় ব্রান্ডন থমাস আসান্তের তৈরি করা সুযোগ থেকে জাল খুঁজে নেন ইয়েরেঙ্কি। তার গোলেই নিশ্চিত হয় ঘানার জয়।
তবে ম্যাচের অধিকাংশ সময়ই আধিপত্য ছিল পানামার। বলের দখলে তারা এগিয়ে ছিল ৬২ শতাংশ সময়। এছাড়া ১১টি শট নেয় পানামা, যেখানে ঘানার শট ছিল আটটি।
পানামার আক্রমণ ঠেকাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন ঘানার বদলি গোলরক্ষক বেঞ্জামিন আসারে। দ্বিতীয়ার্ধে মাঠে নেমে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ সেভ করেন তিনি। এর মধ্যে বক্সের ভেতর থেকে নেওয়া দুটি শটও রুখে দেন এই গোলকিপার।
প্রথমার্ধে পানামার সবচেয়ে ভালো সুযোগটি আসে ম্যাচের দ্বিতীয় মিনিটেই। আমির মুরিলোর নিচু ক্রস থেকে বক্সের মাঝখান থেকে শট নিয়েছিলেন সিসিলিও ওয়াটারম্যান। তবে ঘানার গোলরক্ষক আতি জিগি ডানদিকে ঝাঁপিয়ে পড়ে সেই প্রচেষ্টা ঠেকিয়ে দেন।
বেশ কয়েকবার সংঘর্ষে জড়িয়ে চোট পাওয়ার পর বিরতির সময় মাঠ ছাড়েন জিগি। তার বদলি হিসেবে নামা আসারে পরে দলের অন্যতম ভরসা হয়ে ওঠেন।
ম্যাচ যখন ড্রয়ের দিকে এগোচ্ছিল, তখনই আসে নাটকীয় মুহূর্ত। যোগ করা সময়ের শেষ দিকে আলগা বল পেয়ে বাঁ দিক দিয়ে এগিয়ে যান ব্রান্ডন থমাস আসান্তে। এরপর গোলমুখে বাড়ানো বলে পা ছুঁইয়ে জাল কাঁপান কালেব ইয়েরেঙ্কি। তাতেই ভেঙে যায় পানামার স্বপ্ন।
এদিকে মিডফিল্ডার থমাস পার্টিকে ছাড়াই এই ম্যাচে মাঠে নামে ঘানা। ইংল্যান্ডে ধর্ষণের অভিযোগে অভিযুক্ত এই ফুটবলারকে কানাডা ভিসা না দেওয়ায় তিনি দলের সঙ্গে যোগ দিতে পারেননি।