বুধবার ৬ জুলাই ২০২২
      Beta
ভোটের দুদিন আগে হামলায় আহতরা।

নির্বাচনী ফলাফল প্রত্যাখ্যান করলেন উজিরপুরের সেই প্রার্থী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার ১৬ জুন ২০২২ ০৮:১৩:০০ অপরাহ্ন | বাংলাদেশ

বরিশালের উজিরপুর উপজেলার শিকারপুর ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য প্রার্থী মোহাম্মদ জুবায়ের মিয়ার সমর্থকদের বাড়িতে হামলার ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো প্রতিকারমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। এরকম পরিস্থিতির মধ্যেই ১৫ জুন অনুষ্ঠিত হয়েছে নির্বাচন। আতঙ্কে ভোটের দিন জুবায়ের মিয়ার সমর্থকরা ভোট দিতে কেন্দ্রে যাননি। ফলে জুবায়ের মিয়া মাত্র ১৫১ ভোটের ব্যবধানে হেরে গেছেন।

এ ব্যাপারে জুবায়ের মিয়া জানান, তিনি নির্বাচনী ফলাফল প্রত্যাখ্যান করে পুন:নির্বাচন দাবি করেছেন। তিনি এ বিষয়ে সিনিয়র আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা, বরিশাল জেলা বরাবরে একটি দরখাস্ত পাঠিয়েছেন। আবেদনে তিনি উল্লেখ করেছেন, নির্বাচনী তফসিল ঘোষণার পূর্ব থেকেই আমার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী মো. দিদারুল ইসলাম সুমন ও তার সহযোগীরা আমাকে ও আমার কর্মীদের ভয়ভীতি প্রদর্শন করছে। এসব বিষয়ে তিনি সংশ্লিষ্ট সবাইকে লিখিতভাবে জানিয়েছেন।

Writ

সুমন হাওলাদার ৬৬২ ভোটে জিতে যায়। আমি পেয়েছি ৫১১। কিন্তু আমার ভোটারদের কেন্দ্রে যেতে দেয়নি সুমনের সন্ত্রাসীরা। প্রশাসন বিশেষ করে র‌্যাব ও পুলিশ যদি কেন্দ্রে নিরাপত্তা না দিত এখানে ওরা রক্তের বন্যা বইয়ে দিত। ভয়ে আমার লোকজন তাই কেন্দ্রে যায়নি।

প্রসঙ্গত, গত ১২ জুন রাতে ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য প্রার্থী জুবায়ের মিয়ার সমর্থকদের বাড়িতে হামলা করেন প্রতিদ্বন্দ্বি ইউপি সদস্য সুমন হাওলাদার ও তার ভগ্নিপতি রানা আহমেদের নেতৃত্বে একদল সন্ত্রাসী। এতে করিম বেপারীর ছেলে তামিম বেপারী, সৈয়দ কাজলের ছেলে সৈয়দ নয়ন, সালেক শিকদারের ছেলে সোহেল শিকদার, ওহাব খানের ছেলে পলাশ খান, রহিম বেপারীর ছেলে রনি বেপারী, মান্নান ফকিরের স্ত্রী মায়া বেগম গুরুতর আহত হন। 

আরও পড়তে পারেন

বরিশালে ইউপি সদস্য প্রার্থীর সমর্থকদের বাড়িতে হামলা

পরে ভুক্তভোগীরা রিটার্নিং অফিসার ও  উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা বরাবরে অভিযোগ দায়ের করেন। খবর পেয়ে উজিরপুর থানার পুলিশ গিয়ে আহতদের উদ্ধার করে। আহতদেরকে উজিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স-এ ভর্তি করা হয়।