১৪০টির বেশি দেশে রপ্তানি হচ্ছে বাংলাদেশের ওষুধ: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

দ্য রিপোর্ট ডেস্ক

জুন ৮, ২০২৬, ০৫:৫৩ পিএম

১৪০টির বেশি দেশে রপ্তানি হচ্ছে বাংলাদেশের ওষুধ: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

আজ সোমবার সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। ছবি: পিআইডি

বাংলাদেশের ওষুধ শিল্প আন্তর্জাতিক বাজারে ধারাবাহিকভাবে সম্প্রসারিত হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। তিনি বলেন, বর্তমানে দেশের উৎপাদিত ওষুধ বিশ্বের ১৪০টিরও বেশি দেশে রপ্তানি হচ্ছে, যা বাংলাদেশের স্বাস্থ্য ও শিল্প খাতের জন্য একটি উল্লেখযোগ্য অর্জন।

সোমবার সচিবালয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ তথ্য জানান। ডেঙ্গু রোগীদের চিকিৎসা সহায়তায় বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ফার্মাসিউটিক্যালস ইন্ডাস্ট্রিজ-এর পক্ষ থেকে এক লাখ আইভি স্যালাইন হস্তান্তর উপলক্ষে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, দেশে ভ্যাকসিন উৎপাদনের সক্ষমতা গড়ে তোলা গেলে ওষুধ রপ্তানির নতুন সম্ভাবনা তৈরি হবে। এতে আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের অবস্থান আরও শক্তিশালী হবে।

তিনি আরও বলেন, অতীতে স্বাস্থ্য সরঞ্জাম ও ভ্যাকসিন উৎপাদনে পর্যাপ্ত অগ্রগতি হয়নি। এমনকি জরুরি চিকিৎসা উপকরণেও ঘাটতি ছিল। তবে পরবর্তীতে বেসরকারি খাতের সহযোগিতায় বিভিন্ন স্বাস্থ্য সংকট মোকাবিলা করা সম্ভব হয়েছে।

ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ে মন্ত্রী জানান, রোগীদের চিকিৎসা নিশ্চিত করতে এক লাখ ইউনিট আইভি স্যালাইন অনুদান হিসেবে পাওয়া গেছে। বর্তমানে কেন্দ্রীয় মজুতেও উল্লেখযোগ্য পরিমাণ স্যালাইন রয়েছে। পাশাপাশি উপজেলা পর্যায়েও পর্যাপ্ত মজুত রাখা হয়েছে এবং চাহিদা বাড়লে অতিরিক্ত সরবরাহ নিশ্চিত করার প্রস্তুতি রয়েছে।

আদ্-দ্বীন হাসপাতালে নবজাতক মৃত্যুর ঘটনা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে কারণ দর্শানোর নোটিশের জবাব দেওয়ার জন্য আরও দুই দিন সময় দেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জবাব না এলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত বলেন, ডেঙ্গুর মৌসুমকে সামনে রেখে আগাম প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। আক্রান্তদের দ্রুত চিকিৎসা নিশ্চিত করতে স্বাস্থ্যখাত সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা ও ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে সরকারি-বেসরকারি সব পক্ষকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। স্বাস্থ্যসেবার মান উন্নয়নেও নানা উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

Link copied!