মে ১৫, ২০২৬, ০১:২৩ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় এলাকায় বাসায় গ্যাস লিকেজ থেকে হওয়া বিস্ফোরণে দগ্ধ একই পরিবারের পাঁচ সদস্যের সবাই মারা গেছেন। স্বামী ও তিন সন্তানের মৃত্যুর পর সবশেষ চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেলেন সায়মা।
শুক্রবার সকাল ৮টা ৪০ মিনিটে ৩২ বছর বয়সী সায়মার মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করেন জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের সহকারী অধ্যাপক শাওন বিন রহমান। তিনি শরীরের ৬০ শতাংশ দগ্ধ অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন।
এর আগে গত দুই দিনে একই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সায়মার তিন সন্তান মারা যায়। বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টা ৫০ মিনিটে ১০ বছর বয়সী মুন্নি মারা যায়। তার শরীরের ৩৫ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল। এর প্রায় তিন ঘণ্টা আগে সকাল ৯টা ৪০ মিনিটে মারা যায় সাত বছর বয়সী মুন্না, যার শরীরের ৩০ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল।
এর আগের দিন বুধবার সন্ধ্যায় মারা যায় তাদের আরেক সন্তান কথা। তার শরীরের ৫২ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল।
রোববার সকালে ফতুল্লার গিরিধারা এলাকার একটি ছয়তলা ভবনের নিচতলার ফ্ল্যাটে এই বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে তিন সন্তানসহ দগ্ধ হন এক দম্পতি। পরে তাদের সবাইকে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসকরা শুরু থেকেই তাদের অবস্থা ‘আশঙ্কাজনক’ বলে জানিয়েছিলেন।
ঘটনার পরদিন সকালে মারা যান পরিবারের কর্তা ৩৫ বছর বয়সী মো. কালাম। তার শরীরের ৯৫ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল। এরপর একে একে পরিবারের বাকি সদস্যদেরও মৃত্যু হয়।
জানা গেছে, গিরিধারা এলাকায় স্ত্রী ও সন্তানদের নিয়ে ভাড়া বাসায় থাকতেন সবজি বিক্রেতা কালাম। ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের ধারণা, তিতাসের গ্যাস লাইনের লিকেজ থেকে গ্যাস জমে ঘরে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।