মে ১২, ২০২৬, ১২:৪৩ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
একাডেমিক সিলেবাসকে সময়োপযোগী করার কাজ শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, শিক্ষার পাশাপাশি দক্ষতা অর্জন না করার কারণে দেশে বেকারত্বের হার বেশি। তাই একাডেমিক সিলেবাসকে সময়পোযোগী করার কাজ শুরু হয়েছে। একইসঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন, মেধা পাচার নয়, মেধা লালন করে ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে চায় সরকার। তিনি আরও বলেন, এমন একটি শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্য রয়েছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা বিকশিত হবেন।
আজ (মঙ্গলবার) বেলা ১১টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবনে অনুষ্ঠিত ইউজিসির জাতীয় কর্মশালায় তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়ন ও টেকসই রূপান্তর বিষয়ক কর্মশালার উদ্বোধনও করেন তিনি।
সরকারপ্রধান বলেন, প্রাথমিক থেকে উচ্চশিক্ষা স্তর পর্যন্ত কারিকুলাম নতুন করে সাজানো সময়ের দাবি। পাশাপাশি কলেজ থেকে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে ইনোভেশন গ্রান্ট দেওয়ার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।
এছাড়া স্কুল পর্যায় থেকেই কারিগরি শিক্ষা বাধ্যতামূলক করার উদ্যোগের কথাও তুলে ধরেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়গুলো থেকে প্রতিবছর লাখ লাখ শিক্ষার্থী বের হয়। উচ্চ শিক্ষা নিয়েও অনেককে বেকার থাকতে হয়। অর্থাৎ বেকারত্বের সংখ্যা উচ্চ শিক্ষিতদের মধ্যে বেশি।
এর কারণ সম্পর্কে নানামত রয়েছে। তবে এ ব্যাপারে অনেকেই একমত। একাডেমিক শিক্ষা অর্জনের পাশাপাশি দক্ষতা অর্জন করতে না পারাই শিক্ষিত মধ্যে বেকারত্বের হার বেশির অন্যতম কারণ।
তারেক রহমান আরও বলেন, বর্তমান সরকার মনে করে, প্রাথমিক সিলেবাসে থেকে শুরু করে উচ্চতর পর্যায় পর্যন্ত আমাদের শিক্ষা কারিকুলাম ঢেলে সাজানো এখন সময়ের দাবি। নৈতিক মূল্যবোধসম্পন্ন কর্মমুখী শিক্ষা ছাড়া বেকারত্ব নিরসন সম্ভব নয়।
সময়োপযোগী শিক্ষা কারিকুলাম ছাড়া বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় টিকে থাকা সম্ভব নয়। এ কারণেই বর্তমান সরকার একাডেমিক সিলেবাসকে সময়োপযোগী করার কাজ শুরু করেছে।