দেশের বাজারে আবারও কমানো হয়েছে স্বর্ণ ও রুপার দাম। সর্বশেষ সমন্বয়ের পর আজ (মঙ্গলবার) থেকে নতুন দামে বিক্রি হচ্ছে এই দুই মূল্যবান ধাতু।
গত ১৯ মার্চ বিকেলে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে স্বর্ণ ও রুপার দাম কমানোর সিদ্ধান্ত জানায় বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। সেদিন ভরিতে স্বর্ণের দাম ৭ হাজার ৬৯৮ টাকা এবং রুপার দাম ৩৫০ টাকা কমানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণ ও রুপার (পিওর গোল্ড ও সিলভার) মূল্য কমেছে। ফলে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে, যা বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টা ৪৫ মিনিট থেকে কার্যকর হয়েছে।
নতুন দামে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেট স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে ২ লাখ ৪৬ হাজার ৯২৭ টাকায়। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৩৫ হাজার ৬৭১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ২ হাজার ২০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণ প্রতি ভরি ১ লাখ ৬৪ হাজার ৫২১ টাকায় বেচাকেনা হচ্ছে।
এর আগে ১৯ মার্চ সকালে স্বর্ণের দাম সমন্বয় করে ভরিতে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৫৪ হাজার ৬২৫ টাকা নির্ধারণ করেছিল বাজুস। তখন ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৩ হাজার ১৯ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৮ হাজার ৩১৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৬৯ হাজার ৬৫৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়, যা সেদিন সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হয়।
চলতি বছরে এখন পর্যন্ত দেশে ৪৫ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে ২৬ দফা বাড়ানো হয়েছে এবং ১৯ দফা কমানো হয়েছে। আর ২০২৫ সালে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল, যেখানে ৬৪ বার দাম বেড়েছিল এবং ২৯ বার কমানো হয়েছিল।
স্বর্ণের পাশাপাশি রুপার দামও কমানো হয়েছে। নতুন দামে ২২ ক্যারেট রুপা প্রতি ভরি বিক্রি হচ্ছে ৫ হাজার ৩৬৫ টাকায়। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৫ হাজার ১৩২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৪ হাজার ৪৩২ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপা প্রতি ভরি ৩ হাজার ৩২৪ টাকায় বেচাকেনা হচ্ছে।
চলতি বছরে এখন পর্যন্ত রুপার দাম ২৯ দফা সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে ১৬ দফা দাম বাড়ানো হয়েছে এবং ১৩ দফা কমানো হয়েছে। ২০২৫ সালে রুপার দাম মোট ১৩ বার সমন্বয় করা হয়েছিল, যেখানে ১০ বার বেড়েছিল এবং ৩ বার কমানো হয়েছিল।