ছবি: সংগৃহীত
দেশে বাণিজ্যিক হরর সিনেমার সংখ্যা হাতে গোনা। তাই নির্মাতা রায়হান রাফীর ‘আন্ধার’ ঘিরে শুরু থেকেই দর্শকের কৌতূহল ছিল তুঙ্গে। সিনেমাটির প্রচারণায় প্রকাশিত একের পর এক দৃশ্য সেই আগ্রহ আরও বাড়িয়ে দেয়। কখনো রহস্য, কখনো ভয়ের আবহ—সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত এসব দৃশ্য নিয়ে হয়েছে ব্যাপক আলোচনা।
অবশেষে সেই অপেক্ষার অবসান হয়েছে। ঘোষণামতো বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৭টায় প্রকাশ্যে এসেছে ‘আন্ধার’-এর ১ মিনিট ২৬ সেকেন্ডের টিজার। ২২১বি ফিল্মসের ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশের পরপরই টিজারটি দর্শকদের মধ্যে আলোচনার জন্ম দিয়েছে এবং তৈরি করেছে নতুন কৌতূহল।
রাফীর আগের সিনেমাগুলোর মতো ‘আন্ধার’-এর টিজারেও কোনো সংলাপ রাখা হয়নি। আবহসংগীত, চরিত্রগুলোর লুক এবং বিভিন্ন চমকপ্রদ দৃশ্যের মাধ্যমে টিজারটি সাজানো হয়েছে। তবে গল্প সম্পর্কে সরাসরি কোনো ধারণা দেওয়া হয়নি।
টিজারে আফসানা মিমি, গাজী রাকায়েত, চঞ্চল চৌধুরী, নাজিফা তুষি, সিয়াম আহমেদ, মোস্তাফা মনওয়ারসহ সিনেমাটির প্রধান চরিত্রগুলোর উপস্থিতি দেখা গেছে। পুরো টিজারজুড়েই ছিল ধূসর আবহ। পাশাপাশি সিয়াম আহমেদের কয়েকটি অ্যাকশন দৃশ্যের ঝলকও দেখা গেছে।
সিনেমাটির গল্প লিখেছেন ক্রিপটিক ফেইটের শাকিব চৌধুরী ও অর্থহীনের সাইদুস সালেহীন সুমন। গল্পের সঙ্গে যুক্ত আছেন আদনান আদিব খানও। দুই ব্যান্ডশিল্পী দীর্ঘদিন ধরে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের ভৌতিক লোককাহিনি ও অতিপ্রাকৃত ঘটনা নিয়ে আগ্রহী। বিভিন্ন এলাকা ঘুরে সংগ্রহ করা নানা ভূতের গল্প ও অভিজ্ঞতা থেকেই ‘আন্ধার’-এর গল্পের ভাবনা এসেছে।
পরিচালক ও প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান সূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশের হরর ঘরানার অন্যতম বড় বাজেটের আয়োজন ‘আন্ধার’। সিনেমাটির বড় একটি অংশজুড়ে রয়েছে ভিএফএক্স ও গ্রাফিকস অ্যানিমেশনের কাজ। কয়েক মাস ধরে মুম্বাইয়ের একটি স্টুডিওতে এসব কাজ করা হয়েছে।
রায়হান রাফীর বিশ্বাস, দেশের চলচ্চিত্রে হরর ঘরানায় দীর্ঘদিনের যে শূন্যতা রয়েছে, ‘আন্ধার’ তা অনেকটাই পূরণ করতে পারবে। সিনেমাটির বেশির ভাগ শুটিং হয়েছে গাজীপুর ও ময়মনসিংহে।
আগামী অক্টোবর মাসে প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে ‘আন্ধার’-এর।