জুন ১৩, ২০২৬, ০২:১৯ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
মরক্কোর বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে শুরু হচ্ছে ব্রাজিলের বিশ্বকাপ অভিযান। এই প্রতিযোগিতা এবং এই সময় নিজের ক্যারিয়ারে গভীর প্রভাব ফেলতে পারে—তা স্পষ্টভাবে বুঝতে পারছেন ভিনিসিউস জুনিয়র। ২৪ বছরের শিরোপা খরা কাটিয়ে ষষ্ঠ বিশ্বকাপ জিততে লাতিন আমেরিকার এই দেশের সবচেয়ে বড় ভরসা এখন তিনিই।
আক্রমণভাগে নেইমারের মতো মহাতারকা থাকলেও, গতিময় ফুটবলে প্রতিপক্ষের রক্ষণ ভাঙতে রিয়াল মাদ্রিদের ২৫ বছর বয়সী ফরোয়ার্ড ভিনিসিউসের ওপরই বেশি নির্ভর করবে ব্রাজিল। নিজের ওপর থাকা প্রত্যাশা ভালোভাবেই অনুভব করছেন তিনি।
ভিনিসিউস বলেন, ‘এটা আমার জীবন ও আমার ক্যারিয়ারের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত।’
চোটের কারণে মরক্কোর বিপক্ষে খেলতে পারবেন না নেইমার। ফলে দলের আক্রমণভাগের দায়িত্ব আরও বেশি করে ভিনিসিউসের কাঁধে এসে পড়েছে। গত কয়েক বছরের হতাশা কাটাতে মুখিয়ে আছে ব্রাজিল।
২০২১ কোপা আমেরিকার ফাইনালে আর্জেন্টিনার কাছে হারের পর ২০২২ বিশ্বকাপের কোয়ার্টার-ফাইনালে ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে এবং ২০২৪ কোপা আমেরিকার কোয়ার্টার-ফাইনালে উরুগুয়ের কাছে হেরে বিদায় নেয় ব্রাজিল। এসব ব্যর্থতা কাটিয়ে উঠতে এবার কার্লো আনচেলত্তিকে কোচ হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে ব্রাজিলিয়ান ফুটবল কনফেডারেশন (সিবিএফ)। ইতালিয়ান কোচকে পেয়ে ভীষণ খুশি ভিনিসিউস।
তিনি বলেন, ‘আনচেলত্তির কোচিংয়ে খেলা সবসময়ই আমাদের আত্মবিশ্বাসী করে তোলে। কারণ, রিয়াল মাদ্রিদে আমি যা করেছি তা করার জন্য তিনি আমাকে স্বাধীনতা ও আত্মবিশ্বাস যুগিয়েছিলেন। আর এখন জাতীয় দলে খেলার সময়ও সেটা করছেন।’
আনচেলত্তির অধীনে রিয়াল মাদ্রিদে দুটি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ, দুটি লা লিগা এবং একটি ক্লাব বিশ্বকাপ শিরোপা জিতেছেন ভিনিসিউস।
গত বছর মে মাসে আনচেলত্তি কোচ হয়ে আসার পর ব্রাজিলের হয়ে প্রথম গোলটি করেন ভিনিসিউস। জুনে বিশ্বকাপ বাছাইয়ে প্যারাগুয়ের বিপক্ষে ১-০ ব্যবধানে জয়ে তার গোলেই উদ্বেগ কাটে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের।
২০২৬ বিশ্বকাপ ব্রাজিলের জন্য কঠিন চ্যালেঞ্জ নিয়ে এসেছে। ‘সি’ গ্রুপে তাদের প্রথম প্রতিপক্ষ গত আসরের সেমিফাইনালিস্ট মরক্কো। আফ্রিকার এই দলের বিপক্ষে সর্বশেষ ম্যাচে ২০২৩ সালে ২-১ ব্যবধানে হেরেছিল ব্রাজিল।