রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে পন্টুন থেকে একটি যাত্রীবাহী বাস পদ্মা নদীতে পড়ে যাওয়ার ঘটনায় এখন পর্যন্ত দুজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় অন্তত ৩৫ জন নিখোঁজ রয়েছেন বলে জানিয়েছে ফায়ার সার্ভিস।
বুধবার বিকেলে এ দুর্ঘটনা ঘটে। পরে উদ্ধার অভিযান চালিয়ে এখন পর্যন্ত ১০ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। গুরুতর অবস্থায় এক নারীকে গোয়ালন্দ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
নিহতদের মধ্যে রেহেনা বেগম (৬০) ও মর্জিনা বেগম (৫৫) রয়েছেন। আহতদের মধ্যে নুসরাত (২৯) নামের এক চিকিৎসক চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
ফায়ার সার্ভিস জানায়, বাসটি নদীর প্রায় ৩০ ফুট গভীরে তলিয়ে গেছে। দুর্ঘটনার পরপরই উদ্ধার অভিযান শুরু হলেও খারাপ আবহাওয়া ও নদীর পরিস্থিতির কারণে কাজ ব্যাহত হচ্ছে। ইতোমধ্যে একাধিক ডুবুরি দল ঘটনাস্থলে কাজ করছে এবং আরও ইউনিট পাঠানো হচ্ছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ঘাটে দাঁড়িয়ে থাকা বাসটি একটি ছোট ফেরির ধাক্কায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নদীতে পড়ে যায়। দুর্ঘটনার সময় কয়েকজন যাত্রী সাঁতরে বের হতে পারলেও অধিকাংশই বাসের ভেতরে আটকা পড়ে নিখোঁজ হন।
স্থানীয়দের অভিযোগ, দুর্ঘটনার পরপরই উদ্ধার কার্যক্রম শুরু না হওয়ায় ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ বেড়েছে। এতে এলাকাজুড়ে ক্ষোভ ও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে এবং নিখোঁজদের সন্ধানে তৎপরতা চালানো হচ্ছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।