তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন বিজয়

দ্য রিপোর্ট ডেস্ক

মে ১০, ২০২৬, ১১:৪৭ এএম

তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন বিজয়

তামিলনাড়ুর নতুন মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন থালাপতি বিজয় | ছবি: সংগৃহীত

দীর্ঘ রাজনৈতিক আলোচনা ও জোট সমীকরণের পর অবশেষে তামিলনাড়ুর নতুন মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন থালাপতি বিজয়। রোববার চেন্নাইয়ের জওহরলাল নেহরু ইনডোর স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হয় শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান।

বিজয়ের সঙ্গে আরও নয়জন মন্ত্রীও শপথ নেন। শপথ নেওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন কেএ সেনগোত্তাইয়ান, যিনি নেতৃত্ব নিয়ে প্রশ্ন তোলায় এডিএমকে থেকে বহিষ্কৃত হয়েছিলেন।

শপথ নেন বিজয়ের নির্বাচনী কৌশলবিদ আধব অর্জুনও। তামিলাগা ভেত্রি কাজাখাম (টিভিকে)-এর নির্বাচনী জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল তার। তিনি লটারি ব্যবসায়ী সান্টিয়াগো মার্টিনের জামাই। এছাড়া শপথগ্রহণকারী তালিকায় ছিলেন নির্মল কুমার, যিনি বিজেপি ছেড়ে টিভিকে-তে যোগ দেন এবং মাদুরাইয়ের তিরুপারানকুন্দ্রম আসন থেকে জয়ী হন।

টিভিকে-র সাধারণ সম্পাদক আনন্দও মন্ত্রিসভায় স্থান পেয়েছেন। দলের সাংগঠনিক কার্যক্রমে তার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। তিনি চেন্নাইয়ের টিনগর আসন থেকে নির্বাচিত হয়েছেন।

সম্ভাব্য মন্ত্রীদের মধ্যে রয়েছেন অভিনেতা রাজ মোহন ও চিকিৎসক টিকে প্রভু। এছাড়া অরুণ রাজও শপথ নেন। পেশায় চিকিৎসক অরুণ রাজ আইআরএসের চাকরি ছেড়ে বিজয়ের দলে যোগ দিয়েছিলেন। চেন্নাইয়ের মায়লাপুরের নতুন বিধায়ক পি ভেঙ্কটারামননকে বিজয় সরকারের ‘ব্রাহ্মণ মুখ’ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

রোববার যারা শপথ নিয়েছেন, তাদের মধ্যে সর্বকনিষ্ঠ হলেন কীর্তন। তিনি বিরুধুনগর আসন থেকে নির্বাচিত হয়েছেন।

অভিনেতা থেকে রাজনীতিতে আসা ৫১ বছর বয়সী বিজয়ের দল তামিলাগা ভেট্রি কাজাগাম সাম্প্রতিক বিধানসভা নির্বাচনে ২৩৪টির মধ্যে ১০৮টি আসনে জয় লাভ করে। তবে সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিশ্চিত করতে তাকে টানা পাঁচ দিন রাজনৈতিক আলোচনা চালাতে হয় এবং গভর্নরের সঙ্গে চার দফা বৈঠক করেন।

শেষ পর্যন্ত কংগ্রেসের পাঁচজন, বিদুথালাই চিরুথাইগাল কাচ্চির দুইজন, ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি ও ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি (মার্কসবাদী)-এর দুইজন করে এবং ইন্ডিয়ান ইউনিয়ন মুসলিম লীগের দুই বিধায়কের সমর্থন নিয়ে বিজয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেন।

দুটি আসন থেকে নির্বাচিত হওয়ায় একটি আসন ছাড়তে হবে বিজয়কে। এরপরও তার নেতৃত্বাধীন জোটের মোট সদস্য সংখ্যা দাঁড়াবে ১২০ জনে।

এই সরকার গঠনের মধ্য দিয়ে প্রায় ৬০ বছর পর তামিলনাড়ুতে ডিএমকে ও এআইএডিএমকের বাইরে অন্য কোনো দলের সরকার প্রতিষ্ঠিত হলো।

Link copied!