মে ১, ২০২৩, ০৮:২০ পিএম
নিজের জন্য নয়, দেশের মানুষের শান্তির জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিদেশ সফরে গেছেন বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তাঁর এই সফর বাংলাদেশকে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছে বলেও তিনি জানান।
সোমবার (১মে) আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস উপলক্ষে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয়ে সামনে জাতীয় শ্রমিক লীগ আয়োজিত শ্রমিক সমাবেশ ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি আরও বলেন, “শেখ হাসিনা বিদেশ সফরে আছেন, তিনি দেশ বিক্রি করতে যাননি। তিনি গিয়েছেন দেশের উচ্চতা আরো বাড়াতে। নিজের জন্য নয়, আগামী বাজেটের জন্য সহযোগিতা চাইতে তিনি বিদেশ সফরে গেছেন।”
এসময় আওয়ামী রীগ সাধারণ সম্পাদক আরও বলেন, “বাংলাদেশে দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধিতে যারা কষ্ট পাচ্ছেন সেই সাধারণ জনগণকে বাঁচাতে বিদেশ গেছেন প্রধানমন্ত্রী।”এই সফর বাংলাদেশকে, এই জাতিকে আত্মশক্তিতে বলীয়ান করেছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গা ইস্যুতেও কথা বলেছেন উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, “১১ লাখ রোহিঙ্গারা আমাদের উপর বোঝা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই সমস্যা থেকে উত্তরণের চেষ্টাও করছেন তিনি।”
দেশকে আর্থিক ভাবে আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং বাজেট সহযোগিতার জন্য জাপানে ৩০০ মিলিয়ন পেয়েছেন, বিশ্বব্যাংক থেকে ৫০০ মিলিয়ন ডলার পাওয়ার কথা আছে বলেও জানান তিনি।
বিএনপির সমালোচনা করে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক আরও বলেন, “রাজনীতির পর বিএনপির এখন টার্গেট দেশের অর্থনীতিকে ধ্বংস করা। অর্থনীতির চাকা বন্ধ করতে তারা নব নব কৌশলে নতুন নতুন ষড়যন্ত্র করছে। আগুন লাগাতে হবে, লুটপাট করতে হবে- এটাই বিএনপির স্বভাব। অর্থপাচারকারী লুটেরাদের হাতে দেশের ক্ষমতা জনগণ দিবে না।”
এসময় ওবায়দুল কাদের বলেন, “আগামী দিনগুলো সুন্দর করার জন্য, বিশ্ব সংকটে জীবনের চাকা সচল রাখা ও সাধারণ মানুষের শান্তির জন্য নিরলস পরিশ্রম করছেন দেশরত্ন শেখ হাসিনা।”
বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে উদ্দেশ্য আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, “দেশের উন্নয়ন অগ্রগতি বিএনপি সহ্য করতে পারে না। তাদের আন্দোলন ঝিমিয়ে পড়েছে। তাদের এখন আন্দোলন পথহারা পথিকের মতো দিশেহারা। বিএনপি রাজনীতিতে ‘ডিফিট’ খেয়েছে।” আসছে সিটি নির্বাচনকে সামনে রেখে স্বতন্ত্রের নামে বিএনপি ‘ঘোমটা পরা প্রার্থী’ দিয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
জাতীয় শ্রমিক লীগের সভাপতি নুর কুতুব আলম মান্নানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া,যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আফম বাহাউদ্দীন নাছিম,যুবলীগ চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র শেখ ফজলে নুর তাপস, শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক কেএম আযম খসরু।