মার্চ ১, ২০২৬, ০৯:৪৮ এএম
আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি | ছবি: সংগৃহীত
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল পরিচালিত যৌথ ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ অভিযানে আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে ফার্স নিউজ এজেন্সি। আজ (রোববার) স্থানীয় সময় সকালে ইরান এর রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমে এ তথ্য প্রচার করা হয়।
খামেনির মৃত্যুতে রোববার (১ মার্চ) থেকে ৪০ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ইরান ইন্টারন্যাশনাল।
এর আগে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যাল–এ দেওয়া এক পোস্টে ডোনাল্ড ট্রাম্প লিখেছেন, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি, ইতিহাসের অন্যতম নিকৃষ্ট একজন ব্যক্তি, `মারা গেছেন`।
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প পোস্টে আরও লিখেছেন, `ইতিহাসের অন্যতম নিকৃষ্ট ব্যক্তি খামেনি মারা গেছেন। খামেনি ও তার রক্তপিপাসু বাহিনীর হাতে নিহত বা `মিউটিলেটেড` অসংখ্য আমেরিকান এবং বিশ্ববাসীর জন্য আজ সুবিচার প্রতিষ্ঠিত হলো।`
পোস্টে তিনি আরও বলেন, মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা এবং অত্যাধুনিক ট্র্যাকিং সিস্টেমের নজর এড়াতে পারেননি ইরানের সর্বোচ্চ নেতা। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সমন্বয়ে পরিচালিত এই অভিযানে খামেনি এবং তার সঙ্গে থাকা অন্যান্য শীর্ষ নেতারা পালানোর কোনো সুযোগ পাননি। ইরানি জনগণের জন্য এখন তাদের দেশ ফিরে পাওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে।
পোস্টে ট্রাম্প আরও দাবি করেছেন, ইরানের রেভোল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি), সেনাবাহিনী এবং পুলিশ বাহিনীর অনেক সদস্যই আর যুদ্ধ করতে চাচ্ছেন না। বরং তারা আমেরিকার কাছে দায়মুক্তির জন্য প্রার্থনা করছেন।
তিনি বলেন, ‘আমি গত রাতেই বলেছিলাম, এখন চাইলে তারা ইমিউনিটি পাবে, কিন্তু দেরি করলে কপালে নির্ঘাত মৃত্যু আছে’
ট্রাম্পের বরাত দিয়ে রয়টার্স, সিএনএন এবং বিবিসি নিউজ একই সঙ্গে দাবি করেছে যে মার্কিন–ইসরায়েলি যৌথ হামলায় খামেনি নিহত হয়েছেন।
এদিকে, হামলায় খামেনির মেয়ে, জামাতা এবং নাতিও নিহত হয়েছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে তারা কোথায় এবং কীভাবে নিহত হয়েছেন—সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।