জুন ১৫, ২০২৬, ০৩:২৭ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
যুদ্ধ বন্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান একটি শান্তিচুক্তিতে সম্মত হয়েছে। এটি নিয়ে এখনও কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করেনি ইসরায়েল। তবে এ বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন দেশটির কট্টরপন্থি জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী ইতামার বেন-গভির।
আজ (সোমবার) সকালে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের চুক্তির সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘আমরা এই চুক্তির অংশীদার নই। এটি আমাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে না এবং কোনোভাবেই আমাদের জন্য বাধ্যতামূলক নয়।’
বেন-গভির আরও বলেন, হিজবুল্লাহকে সম্পূর্ণভাবে নিরস্ত্রীকরণ ও ধ্বংস করে দেয়া ছাড়া অন্য কিছুতে ইসরায়েলের সন্তুষ্ট হওয়া উচিত নয়। লেবাননভিত্তিক সশস্ত্র রাজনৈতিক গোষ্ঠীটির বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত রাখারও আহ্বান জানান তিনি।
ইসরায়েলি মন্ত্রী হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ‘লেবানন থেকে ইসরায়েলের দিকে কোনো ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হলে তার জবাবে ইসরায়েল দাহিয়াহ এলাকায় হামলা চালানো হবে।’
সোমবার (১৫ জুন) ভোরে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চুক্তিতে পৌঁছানোর ঘোষণা দেন। এর পরপরই যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পও ইরানের সঙ্গে চুক্তিতে পৌঁছানোর কথা জানান।
পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) দেয়া এক বার্তায় জানান, সব ফ্রন্টে সামরিক অভিযান অবিলম্বে ও স্থায়ীভাবে বন্ধ করার বিষয়ে উভয় পক্ষ সম্মত হয়েছে।
শেহবাজ শরিফ আরও বলেন, সমঝোতা স্মারকে সম্মতি হওয়ার পর মধ্যস্থতাকারীরা এ সপ্তাহে বেশ কয়েকটি প্রাক-বাস্তবায়ন বৈঠকের আয়োজন করবেন। এসব বৈঠকে চুক্তি বাস্তবায়নের কারিগরি বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হবে।
তিনি জানান, শুক্রবার (১৯ জুন) সুইজারল্যান্ডে চুক্তি স্বাক্ষরের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হবে। আলোচনায় সহায়তার জন্য কাতারকেও ধন্যবাদ জানান পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী।
তথ্যসূত্র: বিবিসি