জানুয়ারি ১২, ২০২৬, ০৫:১৪ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
মিয়ানমার ২০১৭ সালে রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে চালানো অভিযানকে কেন্দ্র করে গণহত্যার অভিযোগে আফ্রিকার দেশ গাম্বিয়া ২০১৯ সালে জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে (আইসিজে) মামলা দায়ের করেছিল। আজ সোমবার এই মামলার শুনানি শুরু হচ্ছে।
আইন বিশেষজ্ঞরা এই মামলার গতিপ্রকৃতিকে ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন। কারণ, গাজার সামরিক অভিযানের বিরুদ্ধে আইসিজেতে দক্ষিণ আফ্রিকা মামলা করেছে, এবং মিয়ানমারের বিরুদ্ধে নেওয়া পদক্ষেপ দেখে ইসরায়েলের মামলার সম্ভাব্য ফলাফলের প্রেক্ষাপট পাওয়া যেতে পারে।
মিয়ানমারের সেনাবাহিনী ও বৌদ্ধ মিলিশিয়াদের সহিংসতার ফলে কয়েক লাখ রোহিঙ্গা মুসলিম বাংলাদেশে পালিয়ে আসে। রাখাইনে গণধর্ষণ, অগ্নিসংযোগ এবং হত্যার ভয়াবহ বিবরণ তুলে ধরেন তারা। বর্তমানে কক্সবাজারে প্রায় ৮ হাজার একর জমির ওপর শরণার্থী শিবিরে প্রায় ১২ লাখ রোহিঙ্গা বসবাস করছে।
গাম্বিয়া ২০১৯ সালে ১৯৪৮ সালের গণহত্যা কনভেনশন লঙ্ঘনের অভিযোগে আইসিজেতে মামলা দায়ের করে। মিয়ানমার মামলাটির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করেছিল, তবে ২০২২ সালে আদালত তা খারিজ করে দেন। বিচারকেরা জানিয়েছেন, গণহত্যা সংক্রান্ত রায় দেওয়ার ক্ষমতা আইসিজের রয়েছে।
চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসতে কয়েক মাস বা বছরও সময় লাগতে পারে। যদিও আইসিজের রায় কার্যকর করার ক্ষমতা নেই, তবে গাম্বিয়ার পক্ষে রায় এলে মিয়ানমারের ওপর আরও রাজনৈতিক চাপ সৃষ্টি হতে পারে।