তার মতো মানুষকে বন্ধু হিসেবে পাওয়া ভাগ্যের ব্যাপার: জয়া আহসান

দ্য রিপোর্ট ডেস্ক

নভেম্বর ১৮, ২০২৫, ০৩:২৮ পিএম

তার মতো মানুষকে বন্ধু হিসেবে পাওয়া ভাগ্যের ব্যাপার: জয়া আহসান

ছবি: সংগৃহীত

কলকাতাতেও জনপ্রিয় অভিনেত্রী জয়া আহসান। দীর্ঘদিন ধরে আবীর চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে তার বন্ধুত্ব রয়েছে এবং ইন্ডাস্ট্রিতে এই জুটির পর্দার রসায়ন দর্শকদের মধ্যে অত্যন্ত জনপ্রিয়। সম্প্রতি জয়া আহসানের বক্তব্যে আবীর চট্টোপাধ্যায়ের প্রতি তার মুগ্ধতা নতুন মাত্রা পেয়েছে।

জয়া আহসান জানান, ইন্ডাস্ট্রিতে বহু মানুষের সঙ্গে কাজ করার পরও আবীর চট্টোপাধ্যায়ের আচরণ অন্যরকম। তিনি একজন অত্যন্ত নির্ঝঞ্ঝাট মানুষ। জয়ার কথায়, ‘ওর সঙ্গে আমার সবচেয়ে বেশি কাজ। আর সবচেয়ে বড় কথা হলো, ইন্ডাস্ট্রিতে আমার সবচেয়ে কমফোর্ট জোন আবীর।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমি কখনো দেখিনি ও কোনো আড্ডায় বা কখনো কোথাও কাউকে নিয়ে সমালোচনা করছে। কেউ কষ্ট পেতে পারে এ রকম কথা আমি আবীরকে কখনো বলতে শুনিনি। তাই ওর জায়গা আমার জীবনে অনেকটা ওপরে। একটু বেশিই সমালোচনাহীন মানুষ। যদিও মাঝেমধ্যেই একটু টক-ঝাল গল্প হলে সবাইকে খুব ভালোলাগে। তবে ওর মধ্যেও নিশ্চয়ই সেটা আছে, নয়তো সেটা কেউ খুঁজে পায় না। অথবা আমরা দেখতে পাই না।’

জয়া আরও স্মরণ করান, ‘পুতুল নাচের ইতিকথার জন্য আমরা কিছুদিন আগে যাদবপুর ইউনিভার্সিটিতে গিয়েছিলাম। ওরে বাবা! আবীর ঢোকার সঙ্গে সঙ্গে সে যা হলো। আমাদের দিকে আর কে তাকাবে, আমাদের কথা কারো তখন কান দিয়ে মাথা পর্যন্ত পৌঁছাচ্ছে না। সবাই শুধু ওর দিকেই তাকিয়ে রয়েছে। মুগ্ধ নয়নে সবাই আবীরকে দেখছে। আমিও দেখছিলাম যে আহা কী অপূর্ব এই দৃশ্য। ওর জন্য অনুরাগীরা কতটা পাগল। এই ভক্তদের সামলে রাখা এবং সবটা এমন যত্নে রাখাও খুব কঠিন কাজ। আবীর খুব সুন্দর মেনটেন করে।’

অভিনেত্রী আরও যোগ করেন, ‘আসলে আবীরের থেকে অনেক কিছু শেখার আছে। সংসার এবং কর্মজীবন পাশাপাশি চালিয়ে যাওয়া খুব সহজ কাজ নয়। আবীর খুব সুন্দরভাবে পরিবারকে প্রাধান্য দিয়ে সংসার জীবনটা মেনটেন করে। শুধু তাই নয়, কাজের জায়গাটাও ব্যালান্স করে। আসলে তার মতো একজন মানুষকে বন্ধু হিসেবে পাওয়া খুব ভাগ্যের ব্যাপার।’

জয়ার কথায়, ‘ওর অনুভূতি খুব মন থেকেই আসে সেটা যার জন্যই হোক। এবং এই বিষয়টা কিন্তু ফেক নয়। আমি চাইব ও যেন সারাজীবন এমনই থাকে। আমরা যা করতে পারিনি বা পারি না, সেটাই ও অতি যত্নে করে দেখায়। কত অবলীলায় আমরা বলে ফেলি কর্মজীবন ও পরিবার একসঙ্গে সামলানো কঠিন, ও সেটা ভুল প্রমাণ করে দেখিয়েছে বারবার।’

Link copied!