ভারতের পশ্চিমবঙ্গের জনপ্রিয় রিয়েলিটি শো-দাদাগিরি’র সিজন ৯ চলছে। জি বাংলা চ্যানেলে রবিবার(৮ মে) দাদাগিরির মঞ্চে আসছেন বাংলাদেশি সাংবাদিক মোহসীন উল হাকিম।
মোহসীন-উল-হাকিম বাংলাদেশের বেসরকারি যমুনা টেলিভিশনের বিশেষ প্রতিনিধি। প্রতিদিনের খবর সংগ্রহের বাইরে বছরের পর বছর যে কাজটি তিনি করে আসছেন তা হলো পরোপকার।
দাদাগিরি-৯ সিজনের ট্যাগ লাইন ‘হাত বাড়ালেই বন্ধু হয়’।তেমনই হাত বাড়িয়ে নিজের মাতৃভূমি বাংলাদেশকে জলদস্যুর হাত থেকে রক্ষা করেছিল বাংলাদেশী সাংবাদিক মোহসীন-উল হাকিম। এবার সেই গল্প বলতে আগামী রবিবার দাদাগিরির মঞ্চে আসছেন মোহসীন।
ভারতীয় গণমাধ্যম প্রথম কলকাতা ডট কম জানায়, সম্প্রতি কলকাতার রাজারহাটের ডিআরার স্টুডিওতে শেষ হয়েছে শুটিংয়ের কাজ। কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে দাদাগিরির এ বিশেষ পর্ব সমপ্রচারিত হবে আগামী ২৪ বৈশাখ অর্থাৎ ৮ মে ঠিক রাত সাড়ে ৯টায়। একই সাথে এই শো বাংলাদেশে দেখা যাবে রাত ১০টায়।
গত বৃহস্পতিবার জি বাংলার অফিসিয়াল পেজ থেকে উঠে এল তারই এক ঝলক। যেখানে সঞ্চালক সৌরভ গাঙ্গুলীর সঙ্গে কথোপকথনে উঠে এসেছে দস্যুমুক্ত সুন্দরবনের পথের নানা গল্প। আর এই জলদস্যুমুক্ত বাংলাদেশ হওয়ার পেছনে রয়েছে মোহসীনের অক্লান্ত পরিশ্রম।
এদিন দাদা তথা সৌরভ গাঙ্গুলির সঙ্গে কথা বলতে গিয়েই মোহসীন উল হাকিম জানান, ‘২০১৬ সালের ৩১ মে থেকে এ পর্যন্ত সুন্দরবনের মোট ৩২টি বাহিনীর দস্যু সদস্যরা আত্মসমর্পণ করেছে। আর এ আত্মসমর্পণের নেপথ্যে সরকার ও জলদস্যুদের মাঝে মধ্যস্থতাকারী হিসাবে কাজ করেছেন তিনি নিজে’। একই সাথে জানান, ‘২০১৮ সালের ১লা নভেম্ভর বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুন্দরবনকে দস্যুমুক্ত ঘোষণা করার কথা’।
ভারতীয় ওই গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, সাহসী সাংবাদিক মোহসীন-উল হাকির এই পথ চলা ছিলোনা মোটেও সহজ। গত ১২ বছর ধরে তিনি বারবার গেছেন সুন্দরবনে। ঘুরে রেড়িয়েছেন জলদস্যুদের সঙ্গে। তাদের আস্তানায়, তাদের ডেরায় কাটিয়েছেন দিনের পর দিন। কীভাবে তাদের নৌকায় ছুটে বেড়িয়েছেন সুন্দরবনের এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্তে। সেসব গল্প বলবেন দাদার কাছে। তাই মোহসীনের এই দুঃসাহসীক কাহিনী জানতে রবিবার অবশ্যই দেখতে হবে দাদাগিরি।