ছবি: দ্য রিপোর্ট ডট লাইভ
৯৬ সালে আওয়ামী লীগ সুষ্ঠু নির্বাচনের আশায় নির্বাচন বর্জন করে। পরে জনগণের ভোটে নির্বাচনে জয় লাভ করে। কিন্তু এখন বিএনপি যে নির্বাচন প্রক্রিয়ায় নির্বাচন বর্জন করছে সেটি জনগণের জন্য না। তারা চায় দেশে আবার ওয়ান ইলেভেন আসুক।
বৃহস্পতিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি মিলনায়তনে অ্যাডভোকেসি ক্যাম্পেইন আয়োজিত ‘গণতন্ত্র উন্নয়ন ও বাংলাদেশ’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য এ এস এম মাকসুদুল কামাল।
উক্ত সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক এ এস এম মাকসুদুল কামাল। সেমিনারের সভাপতিত্ব করেন অধ্যাপক ড. সীতেশ চন্দ্র বাছার এবং মূল প্রবন্ধ পাঠ করেছিলেন ড. মো. আব্দুর রহিম।
তিনি আরও বলেন, জনগণের বিপুল ভোটে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসবে এটাই তাদের রাজনৈতিক চরিত্র। কিন্তু এক দল বাংলাদেশের অর্থনৈতিক আত্ম-নির্ভরশীলতা নষ্ট করতে ব্যস্ত।
কূটনৈতিক তৎপরতা নিয়ে উপাচার্য বলেন, বিদেশি শক্তি যে বিএনপিকে ক্ষমতায় আনতে চায় বিষয়টি তা নয়, বরং ওরা চায় ওদের মদদপুষ্ট একজনকে ক্ষমতায় বসাতে চায়, তারা চায় না বাংলাদেশে পদ্মাসেতু হোক তাই তাঁরা বিশ্বব্যাংককে প্ররোচিত করে ঋণ নেয়া বন্ধ করে দিয়েছে। এদেশে পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র, গভীর সমুদ্রবন্দর, মেট্রোরেল বা যাবতীয় উন্নয়ন হোক।
তিনি বলেন, সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, বাংলাদেশের উন্নয়নের ধারা অব্যাহত থাকলে আমাদের জিডিপি প্রবৃদ্ধি ১০ শতাংশ ছাড়িয়ে যাবে।এভাবে পরিকল্পনা নেয়ার ফলে চীন ও জাপানের অর্থনীতি সাস্টেইন করেছিল। এভাবে বাংলাদেশ ও এগিয়ে যাবেন, আর এভাবে উন্নয়ন না চলতে দেয়ার জন্যেই এতো ষড়যন্ত্র।
সেমিনারে মূল প্রবন্ধ পাঠ করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামী ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আব্দুর রহিম। তিনি বলেন, পৃথিবীতে এমন অনেক সরকার ব্যতীত উন্নয়নের উদাহরণ রয়েছে , কিন্তু কোনো উন্নয়নই গণতন্ত্র ছাড়া টিকে থাকে না।
অধ্যাপক সীতেশ চন্দ্র বাছার সবার সাথে সংহতি প্রকাশ করে বলেন উন্নয়নের ধারা বজায় রাখতে নির্বাচন হওয়া উচিত অংশগ্রহণমূলক। আওয়ামী লীগ আবারও জয়যুক্ত হবেন বলেও আশা রাখেন তিনি।