মার্চ ২৮, ২০২৬, ১২:২৭ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ককে আরও এগিয়ে নিতে দুই দিনের সফরে আগামী ২ এপ্রিল ঢাকায় আসছেন সুন ওয়েইডং। সফরকালে তিনি ১৪তম দ্বিপাক্ষিক কূটনৈতিক সংলাপে অংশ নিয়ে চীনের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেবেন।
এই সফরকে ঘিরে কূটনৈতিক মহলে গুরুত্ব বাড়ছে, বিশেষ করে সাম্প্রতিক সময়ে বৈশ্বিক শক্তিগুলোর মধ্যে ভারসাম্য রক্ষার প্রেক্ষাপটে। এর আগে মার্কিন সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী পল কাপুর ঢাকা সফর করার এক মাসের মাথায় চীনের এই উচ্চপর্যায়ের সফর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।
বিশ্লেষকদের মতে, সফরের মূল ফোকাস থাকবে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণ, পাশাপাশি অবকাঠামো উন্নয়নে নতুন প্রকল্প নিয়ে আলোচনা। বিশেষ করে তিস্তা প্রকল্পসহ বড় উন্নয়ন পরিকল্পনাগুলো গুরুত্ব পেতে পারে।
আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষক ইমতিয়াজ আহমেদ মনে করেন, এই সফরের মাধ্যমে তারেক রহমানকে চীন সফরের আমন্ত্রণ জানানো হতে পারে, যা দুই দেশের সম্পর্ককে নতুন মাত্রা দিতে পারে।
অন্যদিকে সাবেক কূটনীতিকদের মতে, চীনের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদারের পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্র ও ভারতের সঙ্গে ভারসাম্য রক্ষা করাও বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। তিস্তা প্রকল্পের ক্ষেত্রে চীন ও ভারতের আগ্রহ বিবেচনায় রেখে কৌশলগত সিদ্ধান্ত নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তারা।
বিশেষজ্ঞরা আরও বলেন, ২০১৬ সালে সি জিন পিং এর ঢাকা সফরে হওয়া বিভিন্ন চুক্তির বাস্তবায়ন ত্বরান্বিত করাও এই আলোচনার গুরুত্বপূর্ণ অংশ হতে পারে।
সব মিলিয়ে, আসন্ন এই সফরকে দুই দেশের কৌশলগত ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও গভীর করার একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।