ফরিদপুর জেনারেল হাসপাতালের আশেপাশে গাঁজার গাছ। ছবি: সংগৃহীত
ফরিদপুর জেনারেল হাসপাতলে অভ্যন্তরে রাস্তার দুপাশে রয়েছে সারি সারি গাঁজার গাছ। তবে এই গাছ নিয়ে রয়েছে মতপার্থক্য। কেউ বলছে এগুলো গাঁজার গাছের মতো দেখতে হলেও প্রকৃতপক্ষে এগুলো ভাং গাছ। তবে গাঁজা বা ভাং দুটিই মূলত নেশাজাতীয় গাছ যেগুলো দিন দিন বেড়ে উঠছে। হাসপাতালের প্রবেশপথের দুপাশে এমন গাছ দিনের পর দিন ধরে বেড়ে উঠলেও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের চোখে পড়েনি।
হাসপাতালটির উত্তর দিকে স্টাফ কোয়ার্টারের পথের দিকে, উত্তর দিকের রাস্তার দুপাশে রয়েছে এসকল গাছ। বিগত চার-পাঁচ বছর যাবত এই গাছগুলো বেড়ে উঠছে বলে জানান কোয়ার্টারের বাসিন্দারা। তারা আরও জানান, প্রতি বছরই এই গাছগুলো তারা পরিষ্কার করেন। কিন্তু পরবর্তীতে আবার জন্মায়। অনেকে এই কাশি নিরাময় করার জন্য এই গাছের পাতা ছিড়ে রস করে খায়।
এক মাদকসেবী যুবক জানিয়েছেন, এই গাছগুলোর মধ্যে গাঁজা গাছের তুলনায় ভাংগাছ বেশি। যেসকল গাঁজা গাছ আছে সেগুলো ছোট গাছ হওয়ায় এর পাতা শুকিয়ে নেশা করা যায় না।
অবকাঠামোর দিক থেকে বিভিন্ন সমস্যায় জর্জরিত শতবর্ষ বয়সী এই হাসপাতাল। এরপরও প্রতিনিয়ত শত শত রোগীর আস্থার ঠিকানা এই হাসপাতাল। শুধু রোগীদের সামালানো কষ্টকর হয়ে যায় বিধায় হাসপাতালের পারিপাশির্^ক অবস্থার দিকে খেয়াল রাখতে পারেন না বলে জানিয়েছেন কর্তৃপক্ষ।
এ বিষয়ে জেলা সিভিল সার্জন বলেন, গাছগুলো কাটার জন্য বলা হয়েছে। এছাড়া মাঝে-মধ্যেই গাছগুলো কাটা হয়। আবার এমনিতেই গজিয়ে যায়। সময়মতো শ্রমিক না পাওয়ায় এ বছর কাটতে দেরি হয়েছে।
হাসপাতাল প্রাঙ্গণ ছাড়াও ফরিদপুর জেলখানার সড়কের পাশে, শহরের রাস্তার ধারে কিছু কিছু জায়গায় এজাতীয় গাছ রয়েছে। এই গাছগুলো অনেকটা দুপুরিয়া ফুলগাছের মতো দেখতে হওয়ায় ফুলগাছ ভেবে কাটা হয় না।