কারফিউ পুরোপুরি প্রত্যাহার না হওয়া পর্যন্ত বন্ধ থাকবে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে

জাতীয় ডেস্ক

জুলাই ২৪, ২০২৪, ০৩:০৫ পিএম

কারফিউ পুরোপুরি প্রত্যাহার না হওয়া পর্যন্ত বন্ধ থাকবে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে

ছবি: সংগৃহীত

কারফিউ পুরোপুরি প্রত্যাহার না হওয়া পর্যন্ত ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে জনসাধারণের জন্য বন্ধ থাকবে বলে জানিয়েছে এক্সপ্রেসওয়ের পরিচালনা প্রতিষ্ঠান এক্সপ্রেসওয়ে ফার্স্ট ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে কোম্পানি লিমিটেড (এফডিইই)।

বলা হয়, সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কার আন্দোলনকে কেন্দ্র করে সাম্প্রতিক সহিংসতার সময় দুর্বৃত্তদের এক্সপ্রেসওয়ের দুটি টোল প্লাজায় অগ্নি সংযোগের ঘটনায় এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে তারা। গণমাধ্যমকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন এফডিইই’র ব্যবস্থাপক (অপারেশন্স ও রক্ষণাবেক্ষণ) ক্যাপ্টেন (অব.) হাসিব হাসান খান। তিনি বলেন, “দুর্বৃত্তরা ১৮ জুলাই বনানী টোল প্লাজায় ও পরদিন মহাখালী টোল প্লাজায় আগুন দেয়। ১৮ জুলাই থেকে এক্সপ্রেসওয়ের কার্যক্রম স্থগিত আছে।”

এক্সপ্রেসওয়েটি বিদেশি একটি কনসোর্টিয়াম দিয়ে পরিচালিত হওয়ায় কর্তৃপক্ষ কারফিউ পুরোপুরি প্রত্যাহার না হওয়া পর্যন্ত এক্সপ্রেসওয়ের কার্যক্রম স্থগিতের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে জানান তিনি।

আরেকটি প্রশ্নের জবাবে ক্যাপ্টেন (অব.) হাসিব হাসান খান বলেন, “যে দুটি র‌্যাম্পে টোল প্লাজায় অগ্নি সংযোগ করা হয়েছে, কারফিউ প্রত্যাহারের পরও সেগুলো বন্ধ রাখা হবে।”

তিনি জানান, তারা ম্যানুয়াল টোল আদায়ের মাধ্যমে বনানী র‌্যাম্প খোলার কথা বিবেচনা করছেন। তবে এটা এখনও চূড়ান্ত হয়নি।

অন্য এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, দুটি টোল প্লাজা পুড়িয়ে দেওয়ায় কোম্পানির প্রায় ৫০ কোটি টাকা ক্ষতি হয়েছে।

গত বছর সেপ্টেম্বরে বিমানবন্দর এলাকা-ফার্মগেট প্রথম এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে আংশিক যান চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করা হয় ও চলতি বছরের শুরুতে খুলে দেওয়া হয় এফডিসি গেট। হাসিব বলেন, “প্রতিদিন গড়ে ৫০ হাজারের বেশি গাড়ি উড়াল সড়কটি ব্যবহার করে ও সেখান থেকে প্রতিদিন টোল আদায় হয় ৪০-৪৫ লাখ টাকা।”

Link copied!