খারুভাজ উপজেলা প্রশাসন পার্ক পরিদর্শন করলেন সাংসদ রাঙ্গা

দ্য রিপোর্ট ডেস্ক

সেপ্টেম্বর ১০, ২০২৩, ০৭:০৮ পিএম

খারুভাজ উপজেলা প্রশাসন পার্ক পরিদর্শন করলেন সাংসদ রাঙ্গা

ছবি: দ্য রিপোর্ট ডট লাইভ

রংপুরের গংগাচড়া উপজেলার গজঘন্টা ইউনিয়নে অবস্থিত খারুভাজ উপজেলা প্রশাসন পার্ক পরিদর্শন করেছেন বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ ও জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য মশিউর রহমান রাঙ্গা।

শনিবার (৯ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টার দিকে পার্কটি পরিদর্শনে যান তিনি।

এ সময় “হাবু মৎস্যজীবী সমিতি” র সদস্যদের নিয়ে সাংসদ রাঙ্গাকে ফুল দিয়ে আমন্ত্রণ জানান উপজেলা নির্বাহী অফিসার নাহিদ তামান্না এবং সহকারী কমিশনার (ভূমি) নয়ন কুমার সাহা। 

সাংসদ পুরো পার্ক ঘুরে দেখেন এবং স্থানীয় মানুষদের সাথে কথা বলেন।

মশিউর রহমান রাঙ্গা বলেন, ‘আমাকে ইউএনও এবং এসিল্যান্ড বিনোদন কেন্দ্র নির্মাণের বিষয়টি জানালে তাদের কার্যক্রম পরিচালনার জন্য নির্দেশনা দেই। উপজেলা প্রশাসন ইতিমধ্যে বেশ কিছু কাজ সম্পন্ন করেছে এবং পর্যটন কর্পোরেশনের নিকট সহায়তার জন্য পত্র প্রস্তুত করেছে। আমি চেয়ারম্যান মহোদয়ের সাথে কথা বলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ করব। এছাড়া চলতি অর্থবছরে আসা বরাদ্দ থেকেও সহায়তা করব।’

সহকারী কমিশনার (ভূমি) নয়ন কুমার সাহা বলেন, ‘গংগাচড়ায় কোনো বিনোদন স্পট নেই। আমরা উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে খারুভাজ বিলটিকে অবৈধ দখল থেকে উদ্ধার করে পার্কে রূপান্তরের প্রক্রিয়া শুরু করেছি। একটি স্কেচ ম্যাপ এবং স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা প্রণয়ন করে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেছি। পর্যটন কর্পোরেশনের সহায়তা পেলে আরও সুচারুভাবে কার্যক্রম সম্পাদন করা সম্ভব হবে।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার জনাব নাহিদ তামান্না বলেন, চলতি অর্থবছরে উপজেলা চেয়ারম্যান ও এমপি মহোদয়ের বরাদ্দ থেকে অর্থায়নের ব্যবস্থা করা হবে। পর্যটন কর্পোরেশন থেকেও আমরা ইতিবাচক সাড়া পাব বলে মনে করি।

রংপুরের গংগাচড়া উপজেলার গজঘন্টা ইউনিয়নে প্রায় ১৮.৯৮ একর জায়গা জুড়ে অবস্থিত এই খারুভাজ উপজেলা প্রশাসন পার্ক। রংপুরের সাবেক জেলা প্রশাসক ড. চিত্রলেখা নাজনীন এই পার্কটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। 

বিনোদন কেন্দ্রটিতে ইতিমধ্যে কৃষ্ণচূড়া, জারুল, শিউলি, বকুল থেকে শুরু করে আম, জাম কাঁঠাল, লিচু, পেয়ারাসহ বিভিন্ন প্রজাতির ফুল ও ঔষধি বৃক্ষ রোপণ করা হয়েছে। পাশাপাশি বিভিন্ন দুর্লভ প্রজাতির গাছ গোল্ডেন সাওয়ার, ফরচুন, লিন্টেলা, নাইট কুইন, হাইডেন্জিয়া, ইফোরবিয়া, কাঁটামুকুট লাগানো হয়েছে।

এছাড়া সুপেয় পানি ও আলোর ব্যবস্থা করা হয়েছে। একটি ঘাট পাকা করে বাঁধিয়ে দিয়ে লাগানো হয়েছে শাপলা। ছয়টি গোলঘর, বসার বেঞ্চ, দর্শনার্থীদের জন্য রাখা হয়েছে বেশ কয়েকটি ছোট বড় নৌকা। চাইলে যে কেউ নৌকায় চড়ে খারুভাজের সৌন্দর্য উপভোগ করতে পারেন। ডিপিএইচই- এর সহযোগিতায় ওয়াশ ব্লক ও ডাস্টবিনের কাজ চলমান রয়েছে।

Link copied!