ফেব্রুয়ারি ৬, ২০২৪, ০৭:২৮ এএম
ছবি: দ্য রিপোর্ট ডট লাইভ
মিয়ানমারের অভ্যন্তরে চলমান সংঘর্ষের জেরে এ পর্যন্ত দেশটির সীমান্তরক্ষী বাহিনী বর্ডার গার্ড পুলিশের (বিজিপি) সদস্য ও তাদের পরিবার মিলিয়ে ২২৯ জন জন বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করেছে। এছাড়া তাদের ছোড়া মর্টার শেলে বাংলাদেশের সীমানায় দুজন নিহত হয়েছে। এজন্য আমরা মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূতে অং কিউ মোয়েকে তলব করে কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছি।
মঙ্গলবার মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূতকে তলব পরবর্তী এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।
তিনি আরও জানান, ভারতে গিয়ে সেখানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী, বাণিজ্য মন্ত্রী ও নিরাপত্তা উপদেষ্টার সাথে সাক্ষাতের কথা রয়েছে। সেখানে গিয়ে সার্বিক বিষয়ে আমরা আলোচনা করব।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী দিল্লি সফরে এই ইস্যু নিয়ে আলোচনা হবে উল্লেখ করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, ভারতের সাথে বেশ কিছু বিষয়ে আলোচনা হবে। যেহেতু বর্তমানে মিয়ানমার ইস্যু এসেছে তাই এই বিষয়টি নিয়ে আলোচনাটা স্বাভাবিক।
এদিকে বাংলাদেশে আবারও বেসামরিক লোক প্রবেশ করার বিষয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, মিয়ানমারের বিজিপি সদস্যদের ক্যাম্পে পরিবারসহ ছিল অনেকে। তাই বাংলাদেশে তারা পরিবার সহই প্রবেশ করে।
এদিকে তাদের ফেরত পাঠানোর বিষয়েও আলাপ হয়েছে। ভারত থেকে মিয়ানমার তাদের বিজিপি সদস্যদের এয়ারলিফটে নিলেও বাংলাদেশ থেকে নৌপথে নেয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহল কবির রিজভীর বক্তব্য পাগলের প্রলাপ দাবি করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, মিয়ানমারের অভ্যন্তরীণ কোন্দলের কারণে এই সংকট সৃষ্টি হয়েছে। এক্ষেত্রে বাংলাদেশ সরকারের কোন ব্যর্থতা নেই। বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহল কবির রিজভী যা বলেছে সেটা পাগলের প্রলাপ। তারা ভেবেছিল নির্বাচন পরবর্তী সময়ে বিদেশিদের হস্তক্ষেপ আরও বেশি হবে। কিন্তু তারা এখন হতাশ হয়ে এই ধরনের কথা বলছে।