সেপ্টেম্বর ৩, ২০২৩, ১০:০৪ পিএম
সংগৃহীত ছবি
মানুষের সেবা করাটাই সব থেকে বড় পাওয়া মন্তব্য করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, সংসদ সদস্যরা নিজ নিজ এলাকার মানুষের সেবা করে যাবেন এটাই আমি চাই। এর চেয়ে বড় কিছু নেই।
রবিবার (৩ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদের ২৪তম অধিবেশনে শোক প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা সরকার গঠনের পর থেকে দেশের মানুষের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছি। ইতিমধ্যে বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা পেয়েছে। আমাদের উন্নয়নের ধারাটা একেবারে তৃণমূল পর্যায় পর্যন্ত পৌঁছেছে। অত্যন্ত আন্তরিকতার সাথে সংসদ সদস্যরা তাদের দায়িত্ব পালন করছে বলে এটা সম্ভব হয়েছে। আজকে যাদের হারিয়েছি এবং সেখানে নতুন যারা নির্বাচিত হয়ে এসেছেন, তাদের কাছে আবেদন থাকবে যে আদর্শ ও লক্ষ্য নিয়ে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে সেই স্বাধীনতার সুফল ঘরে ঘরে পৌঁছে দেওয়া।
নাটোর-৪ আসনের প্রয়াত সংসদ সদস্য আব্দুল কুদ্দুস ও নেত্রকোণা-৪ আসনের প্রয়াত সংসদ সদস্য রেবেকা মমিনের মৃত্যুতে এদিন সংসদে শোক প্রস্তাব তোলা হয়।
তিনি বলেন, আব্দুল কুদ্দুস রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছিলেন। তিনি ছাত্রলীগ করতেন। তিনি অত্যন্ত সাহসী ছিলেন। নাটোর ছিল সন্ত্রাসের জায়গা। তিনি সেখানে বারবার নির্বাচিত হয়েছেন। যদিও তাকে জবরদস্তি করে হারানো হয়েছিল। তিনি জনগণের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয় ছিলেন। রেবেকা মমিনের সাথে আমার ছাত্রজীবন থেকে পরিচয় ছিল। তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের যখন ছাত্রী তখন থেকেই তিনি আমাকে সবসময় চিঠি লিখতেন। আমিও উত্তর দিতাম। তিনি চিঠিতে বঙ্গবন্ধুর আদর্শের কথা বলতেন। আমি কলেজে ভিপি হওয়ার পর চিঠি দিয়ে উৎসাহিত করেন। তিনি ছাত্রলীগের সক্রিয় কর্মী ছিলেন। আমাদের রাজনীতি জনগণের কল্যাণে। রেবেকা মমিন ও আব্দুল কুদ্দুস সবসময় জনগণের কল্যাণে কাজ করে গেছেন। আমরা বিভিন্ন সময়ে আওয়ামী লীগের বহু নেতাকর্মী হারিয়েছি। আমি তাদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করি।
শোক প্রস্তাবের ওপর অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন- সংসদ উপনেতা বেগম মতিয়া চৌধুরী, সংসদ সদস্য আমির হোসেন আমু, তোফায়েল আহমেদ, ওয়সিকা আয়শা খান, জুনাইদ আহমেদ পলক, সাজ্জাদুর রহমান, শফিকুল ইসলাম শিমুল, আশরাফ আলী খান খসরু, আব্দুল আজিজ, মসিউর রহমান রাঙ্গা প্রমুখ।