মে ৩১, ২০২৩, ০৬:২৬ পিএম
কোভিড পরবর্তী অর্থনীতি পুনরুদ্ধার ও বৈশ্বিক সংকটের প্রেক্ষাপটে সরকারি ব্যয় যৌক্তিকীরণের নানামুখী পদক্ষেপের আওতায় সরকারি ব্যয়ে আকাশপথে ‘প্রথম শ্রেণি’তে বিদেশ ভ্রমণ পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত স্থগিত করা হয়েছে।
বুধবার (৩১ মে) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ সংক্রান্ত সারসংক্ষেপে আজ স্বাক্ষর করেন।
এর আগে,গত বছরের ৯ নভেম্বর সরকারী কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিদেশ ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা দেয় সরকার। বৈশ্বিক সংকট এবং দেশে ডলার সংকটের কারণে সরকার বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের ওপর চাপ কমানোর পরিকল্পনার অংশ হিসেবে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিদেশ ভ্রমণ বন্ধ রাখার ঘোষণা দেয় সরকার।
গত ৯ নভেম্বর অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে।
ওই তারিখে জারি করা প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ‘বর্তমান বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অবস্থার প্রেক্ষাপটে সরকারের পরিচালন ও উন্নয়ন বাজেটের আওতায় মন্ত্রণালয়/বিভাগ/অন্যান্য প্রতিষ্ঠান এবং আওতাধীন অধিদফতর/পরিদফতর/দফতর, স্বায়ত্তশাসিত/আধা স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা, পাবলিক সেক্টর করপোরেশন এবং রাষ্ট্রায়ত্ত কোম্পানিসমূহের সব পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সব ধরনের বিদেশ ভ্রমণ পুনরাদেশ না দেওয়া পর্যন্ত বন্ধ থাকবে।
এ ছাড়া স্বায়ত্তশাসিত ও আধা স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা, পাবলিক সেক্টর করপোরেশন এবং রাষ্ট্রায়ত্ত কোম্পানির নিজস্ব অর্থায়নেও সব বিদেশ ভ্রমণ বন্ধ থাকবে।’
এরও আগে, ২০২২ সালর গত ১৯ সেপ্টেম্বর এক আদেশে সরকারি কর্মকর্তাদের বিদেশ ভ্রমণের শর্ত কিছুটা শিথিল করে সরকার। সীমিত আকারে কর্তৃপক্ষের অনুমোদন নিয়ে কর্মকর্তাদের বিদেশে যাওয়ার সুযোগ দিয়ে একই বছরের ১৯ সেপ্টেম্বর আদেশ জারি করে অর্থ মন্ত্রণালয়।