ঔষধ শিল্প ও জনস্বাস্থ্য খাতে ডা. জাফরুল্লাহ'র অবদান স্মরণীয় হয়ে থাকবে: প্রধানমন্ত্রী

দ্য রিপোর্ট ডেস্ক

এপ্রিল ১২, ২০২৩, ১০:১০ এএম

ঔষধ শিল্প ও জনস্বাস্থ্য খাতে ডা. জাফরুল্লাহ'র অবদান স্মরণীয় হয়ে থাকবে: প্রধানমন্ত্রী

মুক্তিযোদ্ধা ও গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বুধবার প্রেস উইং, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে পাঠানো এক শোক বার্তায় শেখ হাসিনা বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধ, ঔষধ শিল্প ও জনস্বাস্থ্য খাতে ডা. জাফরুল্লাহ'র অবদান স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

প্রধানমন্ত্রী মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং তাঁর শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

এদিকে, স্বাধীনতা পুরস্কারে ভূষিত ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ এবং নৌ পরিবহন প্রতিমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ চৌধুরী।

এক শোকবার্তায় প্রয়াতের আত্মার শান্তি কামনা করেন ও শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান তথ্যমন্ত্রী।

বর্তমানে ইউরোপ সফররত তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী হাছান তাঁর শোকবার্তায় একাত্তরে ফিল্ড হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা, জাতীয় ওষুধ নীতি প্রণয়ন ও গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র গড়ে তুলে কম খরচে দরিদ্রদের চিকিৎসা সেবায় ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর অবদানের কথা স্মরণ করেন। 

অন্যদিকে, বুধবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক শোকবার্তায় নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী এমপি মহান মুক্তিযুদ্ধের সময়ে ১৯৭১ সালে ফিল্ড হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা, জাতীয় ওষুধ নীতি প্রণয়ন ও গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র গড়ে তুলে কম খরচে দরিদ্রদের চিকিৎসা সেবায় ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর অবদানের কথা স্মরণ করেন।

নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী প্রয়াতের আত্মার শান্তি কামনা করেন ও শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

প্রসঙ্গত, জাফরুল্লাহ চৌধুরী মঙ্গলবার (১১ এপ্রিল) রাতে রাজধানীর গণস্বাস্থ্য হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। দীর্ঘদিন কিডনিরোগসহ বিবিধ স্বাস্থ্যগত জটিলতায় ভুগছিলেন তিনি। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী নারীনেত্রী শিরীন হক এবং দুই সন্তানসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের পর তাঁর সবচেয়ে বড় অবদান ১৯৮২ সালের জাতীয় ঔষুধ নীতি। স্বাধীনতার পর স্বাস্থ্যখাতে যেটাকে বিবেচনা করা সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি হিসেবে। তাঁর প্রচেষ্টায় আমদানি ওষুধের সংখ্যা কমে দাঁড়ায় ২২৫-এ। বর্তমানে ৯০ শতাংশ ওষুধই দেশে তৈরি হচ্ছে এবং বাংলাদেশ একটি ওষুধ রপ্তানিকারক দেশ হিসেবে গড়ে ওঠার পেছনে এই মানুষটির অবদান বিশাল।

 

Link copied!