ভোলায় প্রবীণ রাজনীতিবিদ তোফায়েল আহমেদের দাফন আজ

দ্য রিপোর্ট ডেস্ক

জুন ২, ২০২৬, ০২:১৭ পিএম

ভোলায় প্রবীণ রাজনীতিবিদ তোফায়েল আহমেদের দাফন আজ

প্রবীণ রাজনীতিবিদ, মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, সাবেক শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রী এবং নয়বারের সংসদ সদস্য তোফায়েল আহমেদকে আজ মঙ্গলবার তাঁর জন্মভূমি ভোলায় দাফন করা হবে। এ উপলক্ষে ভোর থেকেই ভোলা সদর উপজেলার দক্ষিণ দিঘলদী ইউনিয়নের কোড়ালিয়া গ্রামে তাঁর বাড়িতে দাফনের প্রস্তুতি শুরু হয়েছে।

তোফায়েল আহমেদের শৈশব ও কৈশোরের স্মৃতিবিজড়িত ওই গ্রামে সকাল থেকেই বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। প্রিয় নেতার শেষ বিদায়ে অংশ নিতে এসে অনেকে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন।

পরিবার ও দলীয় সূত্রে জানা গেছে, আজ দুপুরে পারিবারিক উদ্যোগে হেলিকপ্টারে তাঁর মরদেহ ভোলায় আনা হবে। এরপর ভোলা সরকারি উচ্চবিদ্যালয় মাঠে জোহরের নামাজের পর বেলা দুইটায় দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। প্রথম জানাজা গতকাল সোমবার সন্ধ্যায় ঢাকার ধানমন্ডির তাকওয়া মসজিদে অনুষ্ঠিত হয়।

দ্বিতীয় জানাজা শেষে মরদেহ নেওয়া হবে তাঁর নিজ গ্রাম কোড়ালিয়ায়। সেখানে স্থানীয় মসজিদ প্রাঙ্গণে তৃতীয় জানাজার পর পারিবারিক কবরস্থানে মা-বাবার কবরের পাশে তাঁকে দাফন করা হবে।

স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, তোফায়েল আহমেদ শুধু একজন রাজনীতিবিদ নন, তিনি ছিলেন ভোলার মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতীক। তাঁর মৃত্যুতে জেলার রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে এক অপূরণীয় শূন্যতা তৈরি হয়েছে।

১৯৪৩ সালের ২২ অক্টোবর ভোলার কোড়ালিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন তোফায়েল আহমেদ। ছাত্রজীবন থেকেই তিনি রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ১৯৬৯ সালের গণ-অভ্যুত্থানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে তিনি জাতীয় রাজনীতিতে পরিচিতি পান। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঘনিষ্ঠ সহচর হিসেবে স্বাধীনতা আন্দোলন ও দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন তিনি।

১৯৭০ সালের নির্বাচনে ভোলার দৌলতখান–তজুমদ্দিন–মনপুরা আসন থেকে মাত্র ২৭ বছর বয়সে পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন তিনি। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে একাধিকবার মন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। সর্বশেষ তিনি আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।

Link copied!