ফেব্রুয়ারি ৮, ২০২৬, ০২:০০ পিএম
দেশের বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর দীর্ঘদিনের দাবির প্রেক্ষিতে প্রথম পর্যায়ে ১ হাজার ৭১৯টি স্কুল ও কলেজকে এমপিওভুক্ত করার প্রাথমিক কার্যক্রম শুরু করেছে সরকার। স্বয়ংক্রিয় সফটওয়্যারভিত্তিক মূল্যায়নের মাধ্যমে নির্বাচিত এসব প্রতিষ্ঠানের বিষয়ে সম্মতি চেয়ে অর্থ বিভাগে চিঠি পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
রোববার মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ‘বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের (স্কুল ও কলেজ) জনবলকাঠামো ও এমপিও নীতিমালা ২০২৫’ অনুযায়ী আবেদন প্রক্রিয়া শেষ হয়েছে। এই নীতিমালার আওতায় মোট ৩ হাজার ৬১৫টি প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির জন্য আবেদন করে।
আবেদনগুলোর মধ্যে নিম্নমাধ্যমিক, মাধ্যমিক, উচ্চমাধ্যমিক থেকে শুরু করে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ের প্রতিষ্ঠানও রয়েছে। নীতিমালায় নির্ধারিত মানদণ্ড, আঞ্চলিক ভারসাম্য এবং গ্রেডিং পদ্ধতি অনুসরণ করে প্রাথমিকভাবে ১ হাজার ৭১৯টি প্রতিষ্ঠানকে প্রথম ধাপে এমপিওভুক্তির জন্য উপযুক্ত হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
শিক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের আগে আবেদনকারীদের দাখিল করা তথ্য বিভিন্ন সরকারি সংস্থার অনলাইন ডাটাবেজের মাধ্যমে যাচাই করা হবে। প্রয়োজনে সরেজমিন তদন্তও চালানো হবে, যাতে কোনো ধরনের ভুল বা অনিয়মের সুযোগ না থাকে।
মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, পুরো এমপিওভুক্তি প্রক্রিয়া স্বয়ংক্রিয় সফটওয়্যারের মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে। এতে ব্যক্তিগত যোগাযোগ বা আর্থিক লেনদেনের কোনো সুযোগ নেই। কেউ অনৈতিক যোগাযোগের চেষ্টা করলে বা এ সংক্রান্ত অভিযোগ থাকলে নির্দিষ্ট হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরে জানানোর আহ্বান জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, এমপিওভুক্তিকরণ একটি চলমান প্রক্রিয়া। সরকারের আর্থিক সক্ষমতা, প্রতিষ্ঠানের যোগ্যতা ও প্রয়োজন বিবেচনায় পর্যায়ক্রমে অন্যান্য যোগ্য প্রতিষ্ঠানকেও এই ব্যবস্থার আওতায় আনা হবে।
একই সঙ্গে এমপিও সংক্রান্ত বিষয়ে বিভ্রান্তিকর বা অসত্য তথ্য প্রচার থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়ে শিক্ষা ব্যবস্থাপনার এই গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রমে সবাইকে সহযোগিতা করার অনুরোধ জানিয়েছে মন্ত্রণালয়।