চীনের কাছ থেকে উপহার পাওয়া ওই দেশের ওষুধ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান সিনোফার্মের তৈরি করোনাভাইরাস প্রতিরোধী ৫ লাখ টিকা আগামী ১০ মে বাংলাদেশে এসে পৌঁছবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক।সোমবার (৩ মে) রাজধানীর সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানিয়েছেন।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘ভ্যাকসিনগুলো নিজেদের জাহাজে করে আনা হবে।’পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত ভারতের সঙ্গে দেশের সীমান্ত বন্ধ থাকবে বলেও তিনি জানান।
এর আগে, দেশের করোনাভাইরাসর সংক্রমণ মোকাবিলায় চীনা কোম্পানি সিনোফার্মের তৈরি করোনা টিকার জরুরি ব্যবহারের অনুমোদন দেয় সরকার।
এ বিষয়ে গত ২৯ এপ্রিল রাজধানীর মহাখালীতে এক সংবাদ সম্মেলনে ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মাহবুবুর রহমান বলেন, ‘চীন প্রথম দফায় ৫ লাখ ডোজ দিচ্ছে এবং এর বাইরে আগামী দুই সপ্তাহে চীনের ভ্যাকসিন আসার সম্ভাবনা আছে। আমরা আজ সিনোফার্মের টিকার অনুমোদন দিলাম। এই টিকার প্রথম ডোজ নেওয়ার ২৮ দিন পর দ্বিতীয় ডোজ দিতে হবে।’
উল্লেখ্য, করোনার দ্বিতীয় ঢেউ সামলাতে ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউটের তৈরি করোনাভাইরাস প্রতিরোধী টিকা পাওয়ার ক্ষেত্রে অনিশ্চয়তা দেখা দেওয়ায় বেইজিংয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করে ঢাকা। এরই প্রেক্ষিতে করোনা টিকা পাওয়ার ক্ষেত্রে বাংলাদেশকে আশ্বস্ত করে চীন। শুরুতে ৫ লাখ করোনার টিকা উপহার হিসেবে দেওয়ারও ঘোষণা দেয় শি জিনপিং প্রশাসন।