মার্কিন ওষুধ কোম্পানি ফাইজার ও জার্মান জৈবপ্রযুক্তি কোম্পানি বায়োএনটেকের তৈরি ফাইজারের করোনাভাইরাস প্রতিরোধী টিকা দেশে আসতে আরও ১০ থেকে ১২ দিন লাগতে পারে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মুখপাত্র মো. রোবেদ আমিন।
রবিবার (৩০ মে) দুপুরে এক ভার্চুয়াল বিফ্রিংয়ে তিনি এ তথ্য জানান।
রোবেদ আমিন বলেন, ‘প্রথম যে ফাইজারের ভ্যাকসিনের চালান আনা হচ্ছে তার সংখ্যা হলো ১ লাখ ৬ হাজার। এই ভ্যাকসিন আসার পরবর্তী সময়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে, এই ভ্যাকসিন কীভাবে দেওয়া হবে, কাকে দেওয়া হবে।’
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এই মুখপাত্র আরও বলেন, ‘কারণ ফাইজারের ভ্যাকসিনটি অত্যন্ত সংবেদনশীল, অত্যন্ত হিমায়িত অবস্থা ছাড়া এটি রাখাও যায় না। ফলে ভ্যাকসিনটি আমাদের কাছে আনার পরেই আমরা এই সিদ্ধান্তে উপনীত হতে পারবো, কখন-কাকে এই ভ্যাকসিন দেওয়া হবে।’
এর আগে,করোনাভাইরাস প্রতিরোধী টিকা ফাইজার বায়োএনটেকের প্রথম চালান কোভ্যাক্স থেকে রবিবার (৩০ মে) বাংলাদেশে আসার কথা ছিল। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ভ্যাকসিন ডেপ্লয়মেন্ট কমিটির সদস্য সচিব ডা. শামসুল হক এ তথ্যটি গণমাধ্যমে নিশ্চিত করেছিলেন।
গণমাধ্যমে তিনি আরও বলেন, ‘রবিবার রাত ১১টা ২০ মিনিটে কাতার এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে ফাইজারের ১ লাখ ৬২০ ডোজ টিকা দেশে পৌঁছাবে।’
দরিদ্র দেশগুলোর টিকাপ্রাপ্তি নিশ্চিতে গঠিত আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্ম গ্লোবাল অ্যালায়েন্স ফর ভ্যাকসিন অ্যান্ড ইমিউনাইজেশনের (গ্যাভি) কাছ থেকে ফাইজারের এ টিকা আসছে।
দেশের করোনাভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে ১৩ কোটির বেশি মানুষকে টিকাদান কর্মসূচির আওতায় আনার পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। আর এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নে কোভ্যাক্স থেকে ৬ কোটি ৮০ লাখ ডোজ টিকা পাওয়ার আশা করছে বাংলাদেশ।