পাকিস্তানের তেহরিক-ই-ইনসাফ পার্টির অন্যতম নেতা ও ইমরানের সরকারের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করা শাহ-মোহাম্মদ কুরেশী প্রধানমন্ত্রী পদের জন্য লড়ছেন। ৯ এপ্রিল ইমরানের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব আনার দিনেও দেশটির পার্লামেন্ট সেশনে গিয়ে বক্তৃতা দেন এই পররাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি পাকিস্তান মুসলিম লিগ-নওয়াজ-পিএমএনএল এর নেতা শাহবাজ শরিফের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর পদে লড়বেন। সোমবার দুপুর ২টায় নতুন প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনে পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদের অধিবেশন শুরু হবে। শাহবাজ এবং শাহ মোহাম্মদ কুরেশী দু’জনের আবেদনপত্র যাচাই বাছাই ইতিমধ্যে শেষ হয়েছে।
মনোনয়নপত্র জমা দিয়ে কুরেশী বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী হলে বিরোধীদের সঙ্গে আলোচনা করে নতুন মন্ত্রীসভা গঠন করবেন। তিনি বলেছেন, পাকিস্তানের নতুন ধারা তৈরি করার পাশাপাশি পারস্পারিক সম্মানের ভিত্তিতে সংস্কৃতি চর্চার বিকাশে তিনি কাজ করবেন।
মনোনয়নপত্র জমা দিয়ে শেহবাজ বলেছেন, দেশের অর্থনীতি শক্তিশালী করার দিকে তিনি নজর দেবেন। এ ছাড়া ভারতের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক জোরদারের বিষয়েও কথা বলেন তিনি। তবে দুই দেশের মধ্যে বিবাদমান কাশ্মির ইস্যুর সমাধান না হলেও সম্পর্ক উন্নয়ন কঠিন হবে বলেও মনে করেন প্রধানমন্ত্রিত্বের দৌড়ে এগিয়ে থাকা শেহবাজ শরিফ।
৯ এপ্রিল সকাল সাড়ে ১০টা থেকে শুরু হয়ে ভোর পর্যন্ত কয়েক দফা বিরতি দিয়ে চলা জাতীয় অধিবেশনে অনাস্থা ভোটের মাধ্যমে ক্ষমতা থেকে সরিয়ে দেওয়া হয় পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানকে। ওই অনাস্থা ভোটে ইমরানের দল তেহরিক-ই-ইনসাফ পার্টি কোন সদস্য ভোট দেননি। অনাস্থা ভোটে জিততে প্রয়োজন ছিলো ১৭২টি ভোট। বিরোধিরা ১৭৪টি ভোট পায়।