আহসান উল্লাহ মাস্টার হত্যা মামলার মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামির মৃত্যু

দ্য রিপোর্ট ডেস্ক

জানুয়ারি ৪, ২০২৬, ০৯:২২ পিএম

আহসান উল্লাহ মাস্টার হত্যা মামলার মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামির মৃত্যু

ছবি : সংগৃহীত

আহসান উল্লাহ মাস্টার হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি শহীদুল ইসলাম শিপু কারাগারে মারা গেছেন। রোববার  সকাল ১১টার দিকে গাজীপুরের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার ২ থেকে হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার ২ এর জেলার আবুল হোসেন জানান, শহীদুল ইসলাম শিপু দীর্ঘদিন ধরে ডায়াবেটিসসহ নানা জটিল রোগে ভুগছিলেন। প্রায় সাত বছর আগে কেরানীগঞ্জ কারাগারে থাকাকালে তার শারীরিক অবস্থার গুরুতর অবনতি হলে তাকে বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে মেডিকেল বোর্ডের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসা চলাকালে এক পর্যায়ে তার বাঁ পা কেটে ফেলতে হয়।

জেলার আরও জানান, ২০০৪ সালে গ্রেপ্তারের পর থেকে কখনো কেরানীগঞ্জ, কখনো কাশিমপুর কারাগারে বন্দি ছিলেন শিপু। রোববার সকালে কাশিমপুর কারাগারে থাকা অবস্থায় হঠাৎ তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে দ্রুত তাকে গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

শহীদুল ইসলাম শিপু গাজীপুর মহানগরের টঙ্গীর গোপালপুর এলাকার রফিকুল ইসলামের ছেলে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে তার মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, ২০০৪ সালের ৭ মে গাজীপুরের নোয়াগাঁও এম এ মজিদ মিয়া উচ্চবিদ্যালয় মাঠে এক সমাবেশে গুলি করে হত্যা করা হয় মুক্তিযোদ্ধা, শিক্ষক ও শ্রমিক নেতা আহসান উল্লাহ মাস্টারকে। এ ঘটনায় তার ভাই মতিউর রহমান বাদী হয়ে টঙ্গী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

২০০৫ সালের ১৬ এপ্রিল দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল মামলার রায়ে ২২ জনকে মৃত্যুদণ্ড এবং ছয়জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন। পরে ২০১৬ সালের ১৫ জুন বিচারপতি ওবায়দুল হাসান ও বিচারপতি কৃষ্ণা দেবনাথের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ ছয়জনের মৃত্যুদণ্ড ও দুজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বহাল রাখেন। এ ছাড়া সাতজনের সাজা কমানো হয় এবং ১১ জন খালাস পান। মৃত্যুদণ্ড বহাল থাকা আসামিদের একজন ছিলেন শহীদুল ইসলাম শিপু।

Link copied!