৬ বছরের প্রতীক্ষা শেষ, পটুয়াখালীর ইমরানকে বিয়ে করলেন সেই নিকি

দ্য রিপোর্ট ডেস্ক

মার্চ ১, ২০২৩, ০৯:০৫ পিএম

৬ বছরের প্রতীক্ষা শেষ, পটুয়াখালীর ইমরানকে বিয়ে করলেন সেই নিকি

প্রথমবার বিয়ে করতে বাংলাদেশের পটুয়াখালীর বাউফলে এসেছিলেন ইন্দোনেশিয়ার নিকি উল ফিয়া। তবে ওই সময় বিয়ের বয়স না হওয়ায় নিজ দেশে ফিরে যেতে হয়েছিল তাকে। তবে প্রেমের সম্পর্ক প্রেমের  গতিতেই চলছিল। এভাবেই কেটে যায় ছয় বছর। এবার বিয়ে করতে বাংলাদেশ আসেন তিনি। আর বুধবার (১ মার্চ) রাতেই ইমরানের  সাথ বিয়ে বন্ধনে আবদ্ধ হলেন তিনি।

বাউফলের দেলোয়ার হোসেনের ছেলে ২৫ বছর বয়সী ইমরান হোসেন ঢাকার একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন। আর নিকি উল ফিয়ার বয়স ২৩ বছর। নিকি ইন্দোনেশিয়ার সুরাবায়া প্রদেশের জেম্বার এলাকার বাসিন্দা ইউলিয়ানতোর মেয়ে। তার মায়ের নাম শ্রীআনি।

বুধবার রাতে সাড়ে ৭টার দিকে নিকি ও ইমরান হোসেনের বিয়ে পড়ান স্থানীয় মসজিদের ইমাম মাওলানা শহিদুল ইসলাম। বিয়েতে দেনমোহর ঠিক হয় ১০১ টাকা। বৃহস্পতিবার(২ মার্চ) বিবাহোত্তর সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে বলে জানা গেছে। 

এর আগে বুধবার দুপুরের দিকে পটুয়াখালী জেলার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মোহাম্মদ আশিকুর রহমানের সামনে সশরীরে উপস্থিত হয়ে এভিডেভিডের মাধ্যমে বিয়ের সম্মতি দেন নিকি। এরপর আইনজীবীর সহযোগিতায় বিয়ের প্রাথমিক কাজ সম্পন্ন করে বাউফলের উদ্দেশ্য রওনা হন।

স্থানীয় সূত্রে জানা য়ায়, সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে নিকি ও ইমরানের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। পরে বিয়ের জন্য ২০১৭ সালে পটুয়াখালীর বাউফলে আসেননিকি উল ফিয়া। তবে ওইসময় বিয়ের বয়স না হওয়ায় নিজ দেশ ইন্দোনেশিয়ায় চলে যান তিনি।

সোমবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) ইন্দোনেশিয়া থেকে রাজধানীর শাহজালাল বিমানবন্দরে আসেন ওই তরুণী। পরে ঢাকা থেকে লঞ্চযোগে বুধবার সকালে পটুয়াখালীতে আসেন নিকি। 

বিয়ের পর সাংবাদিকদের কাছে ইমরান হোসেন বলেন, নিকির সঙ্গে আমার সাত বছরের প্রেমের সম্পর্ক। আমরা জজকোর্টে এসে বাংলাদেশি আইনে নিয়ম মেনে বিয়ের সম্মতি নিয়েছি। আমাদের জন্য দোয়া করবেন।

অন্যদিকে, ইন্দোনেশিয়ান তরুণী নিকি উল ফিয়া জানান, বাংলাদেশ তার কাছে খুব ভালো লেগেছে। আজকের দিনের জন্য তিনি খুব খুশি এবং তিনি সারা জীবন বাংলাদেশে থেকে যাবেন।

Link copied!