বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে যথাযত মর্যাদায় উদযাপিত হচ্ছে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস।এই দিবসকে ঘিরে রাজধানীর ভাটারায় তৈরি হয়েছে ছয় রঙের পিটুনিয়া ফুল দিয়ে বানানো শহিদ মিনার। এই শহিদ মিনারটি ‘বিশ্বের সবচেয়ে বড়’বলে দাবি করছেন এর কারিগর বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া ছাত্রী আফরিন তাইয়েবা আলিফ।
ফুল দিয়ে এই অন্যরকম ভাবনার বিষয়ে আফরিন গণমাধ্যমে বলেন, “আমাদের গৌরবের মাস ফেব্রুয়ারি। আমাদের মাতৃভাষা আজ কেবল নিজেদের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। এটি এখন আন্তর্জাতিক দিবস। যে ভাষার জন্য প্রাণ দিতে হয়েছে, যা বিশ্ব ইতিহাসে নেই।”

অন্যরকমে তৈরি শহীদ মিনার সম্পর্কে তিনি আরও বলেন, “ভাষা সৈনিকদের স্মরণে দেশ-বিদেশে লাখো শহিদ মিনার তৈরি হয়েছে। সবই ইট, বালু, সিমেন্ট আর রড দিয়ে। তাই একটু অন্যরকমভাবে একটা শহিদ মিনার বানিয়ে সারা বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দিতে চেয়েছি।”
আফরিন তাইয়েবা বলেন, ‘‘এটি বানানোর জন্য বেছে নিয়েছি ঠিকানা রিসোর্টের মূল ভবনটিকে। শহিদ মিনারটি লম্বায় ২২০ ফুট, আর প্রস্থে ৩৪ ফুট। পুরো ভবনের গা’জুড়ে ডিজাইন করে জাপানি পিটুনিয়া ফুল দিয়ে বানানো হয়েছে বিশ্বের ‘সর্ববৃহৎ’ শহিদ মিনার। এখানে ছয় রঙের ফুল ব্যবহার করা হয়েছে।’’
এই শহীদ মিনারটি বিশ্বের সবচেয়ে বড় শহীদ মিনার দাবি করে আফরিন বলেন, “ইন্টারনেট ঘেঁটে দেখেছি; এত বড় শহিদ মিনার পৃথিবীর কোনো দেশে নাই। তাই গিনেস বুকে স্থান পাওয়ার জন্য আমরা ওদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছি। বিস্তারিত তথ্য ও ছবি পাঠিয়েছি। এটা এখন অন প্রসেসে আছে।” গিনিস বুকে এই শহিদ মিনারটি স্থান করে নিতে পারলে দেশের সম্মান বৃদ্ধির সঙ্গে আমার কষ্টটাও সার্থক হবে বলেও তিনি জানান।
রাজধানীর উত্তর সিটি করপোরেশনের ভাটারা থানাধীন বেরাইদ এলাকায় ঠিকানা রিসোর্টের প্রধান ভবনে এই শহিদ মিনারটির অবস্থান।