রং শুধু চোখে দেখা সৌন্দর্যের বিষয় নয়, মানুষের অনুভূতি ও বেঁচে থাকার সঙ্গেও জড়িয়ে আছে এর নানা প্রতীকী অর্থ। আনন্দ, দুঃখ, ভালোবাসা, ভয় কিংবা আশার যেমন আলাদা রং রয়েছে, তেমনি সত্য ও মিথ্যারও রয়েছে নিজস্ব রূপ। আর সত্য-মিথ্যার এই বৈপরীত্যকে কেন্দ্র করেই নির্মিত হয়েছে সীমিত দৈর্ঘ্যের কনটেন্ট ‘রঙিন সুরমা’।
রিয়াজুল হক ইমরান পরিচালিত এই কনটেন্টের কেন্দ্রীয় দুই চরিত্র মুন্তাসির ও শাহিদা। তাদের জীবনও যেন সুরমার মতো—বাইরে ধূসর, অথচ ভেতরে লুকিয়ে আছে নানা রং। গল্পে মুন্তাসির ও শাহিদা চরিত্রে অভিনয় করেছেন দেশের গুণী ও জনপ্রিয় অভিনয়শিল্পী আফজাল হোসেন ও আফসানা মিমি।
আফজাল হোসেন বলেন, দুজন মানুষ ও একটা সংকট নিয়ে গল্প। তারা বয়স্ক মানুষ। আজকাল মানুষের মন মাতানোর জন্য গরমা গরম গল্পের চাহিদা অনেক। এমন সময়ে কেউ যদি ঠান্ডা মেজাজের, শির শির করা অনুভূতির কোনো গল্প পর্দায় হাজির করতে চায়, সে ভাবনাকে বিশেষ ভাবতেই হয়।
সেটা ভেবেই আগ্রহ নিয়ে অভিনয় করা। গল্পের আবেগ আশাকরি দর্শকের আবেগ স্পর্শ করতে পারবে।

নির্মাতা ইমরানের কাছ থেকে স্ক্রিপ্ট পাওয়ার পর গল্পের নামই প্রথমে আফসানা মিমির দৃষ্টি কেড়েছিল। তিনি বলেন, ইমরান (নির্মাতা) যখন স্ক্রিপ্ট পাঠালেন প্রথমেই নামটা দৃষ্টি কেড়েছিল– ’রঙিন সুরমা’। স্বাভাবিক আগ্ৰহ নিয়ে পড়তে শুরু করলাম- শেষ করেছি চোখে জল নিয়ে। দীর্ঘ অপেক্ষার পর কাজটা হলো।
এখন দেখার অপেক্ষা।
আফজাল হোসেনের সঙ্গে কাজের অভিজ্ঞতা নিয়েও উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন আফসানা মিমি। তিনি বলেন, আফজাল ভাইয়ের সঙ্গে কাজ করা সবসময়ই খুব আনন্দের। যাকে পর্দায় দেখে ভালবেসেছি। তাঁর সঙ্গে কাজ করতে যাই যখন, তখন ভীষণ রোমাঞ্চিত হই। প্রতিবার মনে হয় আহা কী সৌভাগ্যবান আমি! আফজাল হোসেনের সঙ্গে কাজ করছি! আর আফজাল ভাই সবকিছু এতো সহজ করে দেন, বন্ধুর মতো।
জানা গেছে, আগামী ১২ আগস্ট রাত ১২টায়, অর্থাৎ ১৩ আগস্ট, দেশীয় একটি ওটিটি প্লাটফর্মে মুক্তি পাবে ‘রঙিন সুরমা’।