টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক হিসেবে সাকিবের প্রথম এসাইনমেন্ট হবে আসন্ন এশিয়া কাপ। তিুনি চান না এই ফরম্যাটে ভক্তদের প্রত্যাশাটা অনেক বেশি হোক। কেননা রাতারাতি কোন কিছুই পরিবর্তন হয়ে যাবে- এমনটা ভাবেন না এ বিশ^ সেরা অলরাউন্ডার।
দলের ফর্ম এবং ইনজুরির কারনে গুরুত্বপূর্ণ কয়েকজন খেলোয়াড়রা না থাকায় আসন্ন এশিয়া কাপের ফাইনাল খেলাটা বাংলাদেশের জন্য কঠিন হবে বলেই মনে করছেন সাকিব। তবে তার দল অন্তত সুপার ফোর খেলার সার্মথ্য রাখে বলেই বিশ^াস করেন তিনি। ‘বি’ গ্রুপে আফগানিস্তান ও শ্রীলংকার বিপক্ষে খেলবে বাংলাদেশ। এই ফরম্যাটে দু’ি দলই ই শক্তিশালী।
টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক হিসেবে নিয়োগ পাবার পর প্রথম সংবাদ সম্মেলনে সাকিব বলেন, ‘আমাদের জন্য (ফাইনাল ম্যাচ) খেলা কঠিন। এই দু’টা ম্যাচ ভালো খেলতে পারলে এবং আগের যে সিরিজগুলো কিংবা গত এক দেড় বছরে যে সিরিজগুলো খেলেছি সেখান থেকে উন্নতির ধারাটা অব্যাহত রাখতে পারাটাই হবে এই টুর্নামেন্টে একটা অর্জন ।’
তিনি আরও বলেন, ‘কিন্তু এখন অধিনায়ক হিসেবে আমি অনেক বেশি অনুপ্রাণিত। নিজের অভিজ্ঞতা দিয়ে আমি দলের আরও ভালো করার চেষ্টা করবো।’
সাকিবের মতে ‘নিজের ’ প্রতি আত্মবিশ^াস এবং দলের প্রত্যেকের মধ্যে আস্থা ছড়িয়ে দেয়াটা অত্যন্ত গুরুত্ব¡পূর্ণ।
সাকিব বলেন, ‘এখান থেকে বের হওয়ার সময় আমাদের সকলের একই ভাবনা থাকতে হবে। কখনো কখনো খারাপ সিদ্ধান্তগুলোও ভাল হয়ে যেতে পারে। আর যদি এই বিশ্বাস না থাকলে অনেক ভালো সিদ্ধান্তও খারাপ হয়ে যেতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে ড্রেসিংরুমে আমাদের সিদ্ধান্তের প্রতি সবার বিশ^াস থাকতে হবে, রাখতে হবে। তেমনটা হলে আমরা ভাল কিছু করতে পারবো। ’
দলের লক্ষ্য নিয়ে সরাসরি কিছু না বললেও এক প্রশ্নের জবাবে সাকিব বলেন, ‘আমাদের যে দলই থাকুক না কেন, সুপার ফোরে খেলা উচিত।’
আগামী ২৭ আগস্ট থেকে শুরু হচ্ছে ছয় দলের এশিয়া কাপ। প্রতিটি গ্রুপ থেকে দু’টি করে দল সুপার ফোরে উঠবে । সুপার ফোরে চারটি দল একে অপরের সাথে খেলবে। পয়েন্টের ভিত্তিতে শীর্ষ দুই দল ফাইনাল খেলবে।