ওয়েস্ট ইন্ডিজকে নিয়ে ছেলেখেলা করেছে বাংলাদেশ। বুধবার তাদের ৯ উইকেটে হারিয়েছে তারা। ১ ম্যাচ হাতে রেখে সিরিজ নিশ্চিত হয়ে গেছে। ১৬ জুলাই এখন হোয়াইটওয়াশের অপেক্ষা। ওয়ানডেতে এটা বাংলাদেশের টানা দশম জয় ক্যারিবীয়দের বিপক্ষে। আর টানা ৪ সিরিজও নিশ্চিত করেছে তারা। ২০১৮ সালের পর বাংলাদেশ হারেনি ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে।
তামিম ও শান্ত (২০) ওপেনিংয়ে এসেছিলেন। ১০৯ রানের টার্গেট ছিল। ওপেনিংয়ে ৪৮ রানের জুটি ছিল। পরে লিটন ও তামিম বাকি পথ পাড়ি দেন। তামিম ৫০ ও লিটন ৩২ রানে অপরাজিত থাকেন। ২০.৪ ওভারে জয় নিশ্চিত করে বাংলাদেশ (১১২/১)।
এর আগে গায়ানাতে নাসুম আহমেদ (৩/১৯) ও মেহেদী হাসান মিরাজের জাদুতে (৪/২৯) ওয়েস্ট ইন্ডিজ ১০৮ রানে অলআউট হয় (৩৫ ওভার)।
২০১১ সালের অক্টোবরে চট্টগ্রামে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ৬১ রানে অলআউট করেছিল বাংলাদেশ। এমনিতে ওয়ানডেতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের সর্বনিম্ন স্কোর ৫৪। সেটা দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ২০০৪ সালে।
নাসুম ১০ ওভার বল করে ১৯ রান দিয়ে নেন ৩ উইকেট। আর ৪টি মেডেন ওভার ছিল। নাসুমের বল কোনোভাবে পড়তে পারেনি ক্যারিবিয়ান ব্যাটসম্যানরা। ম্যাচসেরাও হন তিনি।
৩ ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ এটি। প্রথমটি এই গায়ানাতে বাংলাদেশ ৬ উইকেটে জিতেছিল। ১-০ তে এগিয়ে ছিলেন তামিম ইকবালরা। দ্বিতীয় ম্যাচ জিতলে সিরিজও নিশ্চিত এমনই ছিল হিসাব। একাদশে একটি পরিবর্তন ছিল। তাসকিন আহমেদের বদলে দলে নেওয়া হয় মোসাদ্দেক হোসেনকে।
ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে এটি টানা ১০তম ওয়ানডে ম্যাচ জয় বাংলাদেশের। এখন পর্যন্ত ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ৪৩টি ওয়ানডে খেলেছে বাংলাদেশ। জিতেছে ২০টিতে, হেরেছে ২১টিতে। ২টি পরিত্যক্ত হয়। দু’বারের বিশ^ চ্যাম্পিয়ন ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে জয়-হারের ব্যবধান কমানোর জন্য এই সিরিজটি বাংলাদেশের জন্য ছিল বিশাল সুযোগ। আর সেটা কাজে লাগালো টাইগাররা। টানা চতুর্থবারের মত ওয়ানডে সিরিজও জিতল তারা।