জুলাই ১১, ২০২৫, ০৩:৩৯ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
তথ্যচিত্র প্রদর্শন, নৃত্যনাট্যসহ নানা আয়োজনে আষাঢ়ী পূর্ণিমা উদযাপন করেছে বাংলাদেশ বৌদ্ধ কৃষ্টি প্রচার সংঘ ও ইন্দিরা গান্ধী কালচারাল সেন্টারের (আইজিসিসি)।
বৃহস্পতিবার, ১০ জুলাই ঢাকার বাসাবোর ধর্মরাজিকা বৌদ্ধ মহাবিহার প্রাঙ্গণে এই আয়োজন হয় বলে আইজিসিসি’র এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
এই উপলক্ষ্যে আশীর্বাদ সহভাগিতা করতে গিয়ে বাংলাদেশ বৌদ্ধ কৃষ্টি প্রচার সংঘের সভাপতি পরম শ্রদ্ধেয় বুদ্ধপ্রিয় মহাথেরো বলেন, “আষাঢ়ী পূর্ণিমার পবিত্র তাৎপর্য, যেদিন গৌতম বুদ্ধ সারনাথে তার প্রথম ধর্মোপদেশ দিয়েছিলেন, সেই দিনটিকে চিহ্নিত করে, যার ফলে ধম্মচক্কপবত্তন বা ধর্মের চক্র ঘুরানোর সূচনা হয়েছিল। তিনি উল্লেখ করেন, এই দিনটি বর্ষাবাসের সূচনাও চিহ্নিত করে।”
এ সময় ভারতীয় হাই কমিশনার প্রণয় ভার্মা ভারত ও বাংলাদেশের অভিন্ন বৌদ্ধ ঐতিহ্যের কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে বৌদ্ধ ঐতিহ্যের একটি গভীর ও শিকড়-সংযোগ রয়েছে। গৌতম বুদ্ধের বোধিলাভ এবং বৌদ্ধ চিন্তার বিকাশ ও চর্চার উৎস হিসেবে ভারত বহু বছর ধরে বিশ্বজুড়ে বৌদ্ধ ধর্মের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।
এই আয়োজনে আরো উপস্থিত ছিলেন সংঘের সহ-সভাপতি রঞ্জিত কুমার বড়ুয়া ও শ্রদ্ধেয় ভদন্ত স্বরূপানন্দ ভিক্ষু।
এই অনুষ্ঠানে বিপুল সংখ্যক তরুণ প্রতিনিধি, ভিক্ষুসংঘ, শিল্পীবৃন্দ, শিক্ষাবিদগণ, কূটনীতিকগণ ও বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের সদস্যবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন।
অনুষ্ঠানে ‘দ্য ওয়ে অব বুদ্ধ’ শিরোনামের একটি তথ্যচিত্র প্রদর্শিত হয়, যা বুদ্ধের জীবন, শিক্ষা ও বিশ্বব্যাপী প্রভাবের ওপর আলোকপাত করে। ‘বুদ্ধ–দ্য এনলাইটেনড ওয়ান’ শিরোনামে একটি নৃত্যনাট্যের পরিবেশনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি হয়। এটি পরিচালনা ও পরিবেশন করে আনিসুল ইসলাম হিরো ও তার দলের শিল্পীরা।