করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে চীনে গত ৩৫ দিনে প্রায় ৬০ হাজার মানুষ মারা গেছেন। শনিবার দেশটির স্বাস্থ্য বিষয়ক মন্ত্রণালয় এ তথ্য জানায়।
রয়টার্স জানিয়েছে, এখানে শুধুমাত্র চিকিৎসা সুবিধায় রেকর্ডকৃত মৃত্যুর তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে। বাস্তবে মৃত্যুর মোট সংখ্যা আরও বেশি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

ওই প্রতিবেদনে আরও বলা হয়,ন্যাশনাল হেলথ কমিশনের নিয়ন্ত্রণাধীন ব্যুরো অব মেডিক্যাল অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের প্রধান জিয়াও ইয়াহুই শনিবার এক সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছেন, ডিসেম্বরের শুরুতে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে ঘোষিত বিধিনিষেধ শিথিল করার পর এই প্রথম সরকার করোনায় মৃত্যুর সংখ্যা প্রকাশ করলো।
জিয়াও জানিয়েছেন, এর মধ্যে সরাসরি ভাইরাসের কারণে পাঁচ হাজার ৫০৩ জন শ্বাসযন্ত্রের ব্যর্থতার কারণে মৃত্যু এবং কোভিডের সাথে সংশ্লিষ্ট রোগের কারণে ৫৪ হাজার ৪৩৫ জনের মৃত্যুর তথ্য রয়েছে।

প্রসঙ্গত, ভাইরাসের কারণে শ্বাসযন্ত্রের ব্যর্থতার কারণে যাদের মৃত্যু হয়, চীন কেবল সেগুলোই করোনায় সংক্রমণজনিত মৃত্যু বলে স্বীকার করে। তবে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এর সমালোচনা করে একে ‘খুব সংকীর্ণ’ সংজ্ঞা বলে আখ্যায়িত করেছে।

করোনার নতুন উপরূপের কারণে চিনে সংক্রমণ তীব্র আকারে ছড়িয়ে পড়লে উদ্বেগ প্রকাশ করেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (হু)-র প্রধান টেড্রস অ্যাডানম গেব্রিয়েসাস। এই প্রেক্ষাপটে দৈনিক করোনায় আক্রান্ত ও মৃতের পরিসংখ্যান প্রকাশ বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেয় চীনা সরকার। বেইজিংয়ের এই সিদ্ধান্তে আরও উদ্বেগ তৈরি হয়। করোনা সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশের জন্য চিনকে বার্তাও দেয় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। আর এই উদ্বেগের মধ্যেই শনিবার করোনায় মৃত্যু নিয়ে পরিসংখ্যান দিল চিন।