মার্চ ২৬, ২০২৩, ১১:০৩ পিএম
২০০৬ সালে জোহানেসবার্গে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ৪৩৪ রান তাড়া করে জয় তুলে নিয়েছিল দক্ষিণ আফ্রিকা। ওয়ানডেতে এখনও সেটা সর্বোচ্চ রান তাড়া করে জয়ের রেকর্ড। এবার টি টোয়েন্টিতে ২৫৮ রান তাড়া করে জিতল প্রোটিয়ারা। সেঞ্চুরিয়নে ৭ বল হাতে রেখে ৬ উইকেটে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হারাল তারা।
৩ ম্যাচের সিরিজ ১-১ সমতায় আসল। টি টোয়েন্টি ক্রিকেটের ইতিহাসে এটি সর্বোচ্চ রান তাড়া করে জয়ের রেকর্ড। ওয়ানডে ও টি টোয়েন্টি দুই ফরম্যাটেই সর্বোচ্চ রান তাড়া করে জয়ের কীর্তি এখন দক্ষিণ আফ্রিকার।
জনসন চার্লসের সেঞ্চুরি মলিন করে দিলেন কুইন্টন ডি কক। চার্লসের ৪৬ বলে ১১৮ রানে ভর করে ওয়েস্ট ইন্ডিজ নির্ধারিত ২০ ওভারে ২৫৮ রান সংগ্রহ করে। জবাবে ১৮.৫ ওভারে ২৫৯ রান তুলে জয় নিশ্চিত করে দক্ষিণ আফ্রিকা। ডি কক ৪৪ বলে ১০০ রান করে আউট হন। এটা তার প্রথম টি টোয়েন্টি শতক। তৃতীয় ও শেষ টি টোয়েন্টি ম্যাচটি ২৮ মার্চ জোহানেসবার্গে রয়েছে।
টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে দুই দল মিলে তুলল ৫১৭ রান। খেলা হল মোট ৩৮.৫ ওভার। অর্থাৎ ২৩৩ বলে ৫১৭ রান তুলল দুই দল। দক্ষিণ আফ্রিকা এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজ়ের ম্যাচে ব্যাটারদের দাপট দেখা গেল সেঞ্চুরিয়ানে।
জনসন চার্লস একাই করেন ১১৮ রান। তাঁর ৪৬ বলের ইনিংস সাজানো ছিল ১০টি চার এবং ১১টি ছক্কা দিয়ে। চার্লসের ৩৯ বলে শতরান ক্যারিবিয়ান ক্রিকেটারদের মধ্যে টি-টোয়েন্টিতে দ্রুততম। এর আগে ক্রিস গেল ৪৭ বলে শতরান করেছিলেন। সেটাই ছিল ক্যারিবিয়ান ক্রিকেটারদের মধ্যে দ্রুততম শতরান। সেই রেকর্ড ভাঙলেন চার্লস। ওপেনার কাইল মেয়ার্স ২৭ বলে ৫১ রান করেন। ১৮ বলে ৪১ রান করেন রোমারিয়ো শেফার্ড।
দক্ষিণ আফ্রিকার সামনে ২০ ওভারের ক্রিকেটে ২৫৯ রানের লক্ষ্য রাখে ওয়েস্ট ইন্ডিজ়। সেই রান তাড়া করতে নেমে শতরান করেন ডি’কক। তিনি ৪৩ বলে শতরান করে দলকে লড়াই করার মতো জায়গায় পৌঁছে দেন। যদিও ১০০ রান করেই আউট হয়ে যান দক্ষিণ আফ্রিকার বাঁহাতি ওপেনার। তিনি ন’টি চার এবং আটটি ছক্কা মারেন। অন্য ওপেনার রিজ়া হেন্ড্রিক্স করেন ৬৮ রান (২৮ বলে)। ১০.৪ ওভারে ১৫২ রান তুলে দেন তাঁরা। কিন্তু দুই ওপেনারই আউট হয়ে যান।
দক্ষিণ আফ্রিকার অধিনায়ক এডেন মার্করাম ২১ বলে ৩৮ রান করে অপরাজিত থাকেন। হেনরিখ ক্লাসেন ৭ বলে ১৬ রান করেন। তাঁরা অপরাজিত থেকে ম্যাচ জেতান দক্ষিণ আফ্রিকাকে।