হাসপাতালে মা চিকিৎসাধীন। একমাত্র ছেলে ও মেজ মেয়েও নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে একই হাসপাতালে ভর্তি। ভালো নেই বড় মেয়েও। ক্যান্সারে আক্রান্ত শাশুড়িও হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন। এমন কঠিন সময়ে ক্রিকেটে মনোযোগ দেওয়া শুধু কষ্টসাধ্যই নয়, দুরূহ ব্যাপার।
তাই দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে সাকিবের দেশে ফিরে আসা ছিল সময়ের ব্যাপার। কিন্তু ওয়ানডে সিরিজ জয়ের তাড়নায় থেকে গেছেন সতীর্থদের সঙ্গে। দেশে ফেরার বিমানের টিকিট নিশ্চিত হওয়ার পরও তা বাতিল করেন।
৩ ম্যাচের সিরিজ। ১-১ সমতায় রয়েছে এখন। বুধবার সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডে। অঘোষিত ফাইনাল। বাংলাদেশ প্রথমবারের মত ওয়ানডে সিরিজ জেতার সুযোগও পাচ্ছে।
সাকিবের এমন সেক্রিফাইসে মুগ্ধ পুরো দল। তার কঠিন এ সময়ে পাশে আছে গোটা দল। সতীর্থ মেহেদী হাসান মিরাজ তৃতীয় ম্যাচের আগে সংবাদ সম্মেলনে এসে বলেছেন, ‘আমরা জানি, সাকিব ভাই মানসিকভাবে খুব শক্ত, সবসময়ই। পরিবারের এই ইস্যুটা অনেক বড়। সবাই তাকে সহযোগিতা করছে এবং তিনিও ভালো খেলছেন। আসলে পরিবার খারাপ থাকলে তো একটু কষ্ট লাগে। তবে সবাই তাকে সহযোগিতা করছে, সব খেলোয়াড়রাই।’