২০১৫ সালের ৯ মার্চ অ্যাডিলেডে ওয়ানডে বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডকে হারিয়ে বিদায় করে দিয়েছিল বাংলাদেশ। সেবার কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠে যায় টাইগাররা। আজ সেই ৯ মার্চেই ইংল্যান্ডকে হারাল বাংলাদেশ। ৮ বছর পর। তবে আগের জয়টি ছিল ওয়ানডের হলেও এই প্রথম টি টোয়েন্টিতে ইংল্যান্ডকে হারাল সাকিব আল হাসানরা।
চট্টগ্রামে প্রথমবার টি টোয়েন্টি সিরিজ খেলতে নামে বাংলাদেশ ইংল্যান্ডের বিপক্ষে। প্রথম টি টোয়েন্টি ম্যাচে ৬ উইকেটে ইংল্যান্ডকে হারিয়েছে টাইগাররা। ৩ ম্যাচের সিরিজ ১-০ তে লিড নিলেন সাকিবরা। পরের দুটি টি টোয়েন্টি মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে।
২০০৬ সালে শুরুর পর টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে ইতোমধ্যে ১৪৪টি ম্যাচ খেলেছে বাংলাদেশ। এরমধ্যে মাত্র একবার ইংল্যান্ডের মুখোমুখি হয়েছে টাইগাররা। ২০২১ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ম্যাচটি ৮ উইকেটে হেরেছিল টাইগাররা।
চলতি সফরে ওয়ানডে সিরিজে বাংলাদেশ ২-১ ব্যবধানে হেরে গেছে। অবশ্য তৃতীয় ওয়ানডে ম্যাচটি তারা চট্টগ্রামেই জিতেছে। এবার চট্টগ্রাম বাংলাদেশকে দুহাত ভরে দিয়েছে।
আজ টসে জিতে সাকিব আল হাসান ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নেন। ইংল্যান্ড ৬ উইকেটে ১৫৬ রানে বন্দি হয়ে যায়। জবাবে বাংলাদেশ ১৮ ওভারেই জয়ের বন্দরে নোঙর করে (১৫৮/৪)। সাকিব ২৪ বলে ৩৪ ও আফিফ ১৩ বলে ১৫ রানে অপরাজিত ছিলেন।
জয়ের ফাউন্ডেশন গড়ে দেন নাজমুল হাসান শান্ত। যিনি ৩০ বলে ৫১ রান করেন। রনি তালুকদার অনেক দিন পর দলে ফিরে ১৪ বলে ২১ রান করেন। তৌহিদের অভিষেক হয় আজ। তিনি ১৭ বলে ২৪ রান করেন। পুরো ম্যাচে বোলিং-ফিল্ডিং-ব্যাটিং এই তিন বিভাগে এদিন বাংলাদেশ দাপটের সাথে খেলেছে।
এর আগে যখন তারা ফিল্ডিংয়ে ছিল তখন তারা দারুণ ফিল্ডিং ও বোলিং করেছে। বিশেষ করে হাসান মাহমুদ। ৪ ওভারে ২৬ রান দিয়ে ২ উইকেট নেন। আর ইংল্যান্ড শেষের দিকে সেভাবে জ্বলে উঠতে পারেনি বিধায় স্কোর আরো বড় হয়নি।
ইংল্যান্ডের জস বাটলার ৪২ বলে ৬৭ ও ফিল সল্ট ৩৫ বলে ৩৮ রানে আউট হন। সাকিবও ভাল বল করেছেন। ৪ ওভারে ২৬ রানে রয়েছে তার ১ উইকেট।
১২ ও ১৪ মার্চ পরের দুটি টি টোয়েন্টি রয়েছে মিরপুরে।