নুরুল হাসান সোহানের ঝড়ো ব্যাটিংয়ে ইনিংস হার এড়ায় বাংলাদেশ। কিন্তু ১৩ রানের টার্গেট দিতে পারে তারা ওয়েস্ট ইন্ডিজের সামনে। ওয়েস্ট ইন্ডিজ ১০ উইকেটে দ্বিতীয় টেস্ট জিতলো। ক্যাম্ববেল ৯ ও ব্রাথওয়েট ৪ রান করেন।
বাংলাদেশ ২০০০ সালে টেস্ট স্ট্যাটাস পেয়েছিল। টেস্টের এই হারটি তাদের ১০০তম হার। ২২ বছরে তেমন উন্নতি হয়নি ৫ দিনের এই ফরম্যাটে। এই ২২ বছরে বাংলাদেশ মোট ১৩৪ ম্যাচ খেলে ১৬টি জিতেছে ও ১৮টিতে ড্র করেছে।
সোহানের ব্যাটিং উপভোগ্য ছিল। ৫০ বলে ৬০ রান করে ক্রিজে অপরাজিত ছিলেন। শেষ উইকেট খালেদ আহমেদ হন রান আউট। সোহানের ইনিংসে ছিল ৬টি চার ও ২টি ছক্কা। দারুণ টেস্ট ফিফটি এই উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যানের। ওয়েস্ট ইন্ডিজকে থামানো যাচ্ছে না এটাই বুঝতে পেরেই আগ্রাসী ব্যাট করেন।
বৃষ্টিতে ৫ ঘন্টা খেলা হয়নি। বাংলাদেশ সময় রাত ১টায় (স্থানীয় বেলা ৩টা) খেলা শুরু হয়। দ্বিতীয় টেস্টের চতুর্থ দিনের খেলা নির্ধারিত হয় ৩৮ ওভারের। পিচ ও মাঠ শুস্ক করতে মাঠকর্মীদের পরিশ্রম করতে হয়েছে।
মিরাজকে ৪ রানে আউট করে জোসেফ। এরপর এবাদত, শরিফুল ও খালেদের স্কোর ০। রোচ, জোসেফ ও সিলেস সমান ৩টি করে উইকেট নেন। বাংলাদেশ আজ ৪২ রান পিছিয়ে ব্যাট করতে নামে।
বাংলাদেশ দ্বিতীয় ইনিংসে অলআউট ১৮৬ রানে। এর আগে প্রথম ইনিংসে তাদের স্কোর ছিল ২৩৪। ওয়েস্ট ইন্ডিজ জবাবে ৪০৮ রান করে।
অ্যান্টিগার প্রথম টেস্টে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ৭ উইকেটে জেতে। ফলে পদ্মা ব্রিজ ফ্রেন্ডশিপ টেস্ট সিরিজটি ২-০ তে নিশ্চিত করেছে ক্যারিবীয়রা।
সামনে রয়েছে ৩ ম্যাচের টি টোয়েন্টি সিরিজ। ২,৩ ও ৭ জুলাই ম্যাচ তিনটি রয়েছে। তারপরও তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজের ম্যাচগুলো রয়েছে ১০,১৩ ও ১৬ জুলা্ই।