ঢাবির প্রশাসনিক জটিলতার প্রতিবাদে গণস্বাক্ষর কর্মসূচি

দ্য রিপোর্ট ডেস্ক

সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২২, ১২:২৪ পিএম

ঢাবির প্রশাসনিক জটিলতার প্রতিবাদে গণস্বাক্ষর কর্মসূচি

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক জটিলতা বন্ধের প্রতিবাদে টানা কর্মসূচি পালন করছে ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ। উপাচার্য বরাবর প্রদানকৃত ৮ দফা দাবি বাস্তবায়ন না হওয়ায় প্রশাসনিক ভবনের সামনে গতকাল থেকে আবারো অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন তিনি। প্রতিবাদের দ্বিতীয় দিনে আজ সোমবার চলছে গণ সবাক্ষর কর্মসূচি।

সকাল ৯টা থেকে এই কর্মসূচি শুরু হয়েছে। প্রশাসনিক জটিলতা নিরসনের দাবিতে একের পর এক শিক্ষার্থী এই কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেছে।

গণস্বাক্ষর কর্মসূচিতে অংশ নেয়া মহিউদ্দিন রনি বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা সিনিয়র স্কলার, শিক্ষার্থীরা জুনিয়র স্কলার। কিন্তু প্রশাসনিক ভবনে আসলে নিজেকে নবাবদের বন্দীশালার চাকর মনে হয়। কারন তারা অনুভব করায়।



অপরাধ বিজ্ঞান বিভাগের প্রথমবর্ষের শিক্ষার্থী টিটন বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র হয়রানির আরেক নাম রেজিস্টার বিল্ডিং। আমি এবার ১ম বর্ষে ভর্তি হতে গিয়ে যেরকম হয়রানির শিকার হয়েছি তা ভাষায় প্রকাশ করার মতো না। তাই ডিজিটাল যুগে এনালগ পদ্ধতি বন্ধ করে ছাত্র হয়রানি বন্ধ করা হোক।

বিশ্ববিদ্যালয়ের আরেক শিক্ষার্থী বিথি রায় বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের সবধরনের সেবামূলক প্রতিষ্ঠানের উদ্দেশ্য ছাত্র শিক্ষকের সাহায্য করা। তাদের হয়রানি করা নয়। তাই হয়রানি বন্ধ দ্রুত রেজিস্টার বিল্ডিংয়ের সকল সেবা ডিজিটালাইজড করা হোক।

প্রশাসনিক জটিলতা বন্ধের দাবিতে উল্লিখিত ৮ দফা:

১. শিক্ষক ও ছাত্র প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে অভিযোগ সেল গঠন করতে হবে।
২.  প্রশাসনিক কার্যক্রম অনতিবিলম্বে ডিজিটালাইজড করতে হবে।
৩. সব অফিস কক্ষে পর্যাপ্ত সিসি ক্যামেরা স্থাপন করতে হবে।
৪. কর্মকর্তা ও কর্মচারিদের জন্যআধুনিক সাচিবিক বিদ্যা, পেশাদারিত্ব, মানসিক ও আচরনগত প্রশিক্ষণ আইন বাধ্যতামূলক করতে হবে।
৫. প্রশাসনিক ভবনে অফিসসমূহের প্রবেশদ্বারে ডিজিটাল ডিসপ্লে স্থাপন করতে হবে।
৬. কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের হন্য স্বাস্থ্যকর ও সুন্দর কর্ম পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে।
৭. অফিস চলাকালীন কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা ব্যতিগত, ব্যবসায়িক কিংবা রাজনৈতিক কোন কাজেই লিপ্ত থাকতে পারবেনা।
৮. কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের নির্বাচনকালীন প্রচারণা পরিবেশ বান্ধব করতে হবে।

Link copied!