বিগত ১৮ বছরে লোভ-লালসায় পা দিইনি: আন্দালিভ রহমান পার্থ

দ্য রিপোর্ট ডেস্ক

সেপ্টেম্বর ২, ২০২৬, ০৬:০১ পিএম

বিগত ১৮ বছরে লোভ-লালসায় পা দিইনি: আন্দালিভ রহমান পার্থ

ব্যারিস্টার আন্দালিভ রহমান পার্থ, ছবি: সংগৃহীত।

তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রীর দায়িত্ব পাওয়ার পর প্রথমবার নিজ নির্বাচনি এলাকা ভোলায় গিয়ে গণসংবর্ধনা পেয়েছেন ব্যারিস্টার আন্দালিভ রহমান পার্থ। বৈরী আবহাওয়া উপেক্ষা করে বুধবার তাঁকে স্বাগত জানাতে সড়কের দুই পাশে জড়ো হন হাজারো নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ।

খোলা গাড়িতে করে শহরে প্রবেশের সময় বিভিন্ন স্থানে ফুল দিয়ে মন্ত্রীকে বরণ করে নেন স্থানীয়রা। পরে ভোলা শহরের নতুন বাজার চত্বরে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে নিজের রাজনৈতিক জীবনের নানা দিক তুলে ধরেন আন্দালিভ রহমান পার্থ।

তিনি বলেন, গত ১৮ বছরে চাইলে অনেক সুযোগ-সুবিধা নেওয়ার সুযোগ ছিল তাঁর। কিন্তু কোনো ধরনের লোভ-লালসায় তিনি পা দেননি। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যে দায়িত্ব দিয়েছেন, তা সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করার প্রত্যয়ও জানান তিনি।

ভোলা-বরিশাল সেতু প্রসঙ্গে তথ্যমন্ত্রী বলেন, এ সেতুর দাবিতে ভোলার মানুষ ও জনপ্রতিনিধিরা দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন করে আসছেন। সংসদেও এ দাবি তুলে ধরা হয়েছে। তবে ভোলা থেকে হিজলা-মুলাদী ও শরীয়তপুর হয়ে ঢাকায় যাওয়ার বিকল্প রুট নিয়ে সরকার চিন্তা করছে বলে জানান তিনি।

পার্থ বলেন, ওই পথে গেলে সময় প্রায় ৪০ মিনিট কম লাগতে পারে—এমন বিবেচনা থেকেই সরকার বিষয়টি নিয়ে ভাবছে। তবে এ নিয়ে কোনো কুচক্রী মহল যেন বিভ্রান্তি ছড়াতে না পারে, সে বিষয়েও সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি।

তিনি বলেন, ভোলার জন্য যে সিদ্ধান্ত সবচেয়ে ভালো হবে, সেটিই সবাই চাইবেন। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও বিশেষজ্ঞরা বিষয়টি বিবেচনা করে উপযুক্ত সিদ্ধান্ত নেবেন। তবে ভোলার মানুষের দাবির কথাও তাঁরা বলে যাবেন।

নিজের সংসদ সদস্য হিসেবে গত ছয় মাসের কর্মকাণ্ড তুলে ধরে আন্দালিভ রহমান পার্থ বলেন, কোনো অনিয়ম বা দুর্নীতিকে তিনি প্রশ্রয় দেননি, ভবিষ্যতেও দেবেন না। টিআর ও কাবিখা প্রকল্পে কেউ অনিয়ম করলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয়ে লিখিত অভিযোগ দেওয়ার জন্য জনগণের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

এর আগে ঢাকা থেকে সড়কপথে বরিশাল হয়ে লাহারহাটে পৌঁছান তথ্যমন্ত্রী। সেখান থেকে স্পিডবোটে ভোলা খেয়াঘাটে গেলে জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ও জেলা পরিষদ প্রশাসক আলমগীরের নেতৃত্বে বিএনপি ও বিজেপির নেতাকর্মীরা তাঁকে শুভেচ্ছা জানান।

এ সময় ভোলা জেলা প্রশাসক ডা. শামীম রহমান, পুলিশ সুপার শহীদুল্লাহ কাওছারসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। খেয়াঘাট থেকে ভোলা শহরে যাওয়ার পথেও বিভিন্ন স্থানে সাধারণ মানুষ ফুল দিয়ে মন্ত্রীকে শুভেচ্ছা জানান।

Link copied!