ছবি: সংগৃহীত
দ্রুততম সময়ের মধ্যেই জাতীয় নির্বাচন করতে হবে বলে দাবি করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, “দ্রুততম সময়ের মধ্যে জনপ্রতিনিধিদের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করতে হবে।”
বুধবার (৭ আগস্ট) বিকেলে নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে অনুষ্ঠিত সমাবেশে লন্ডন থেকে ভার্চুয়ালি এ কথা বলেন তিনি। এ সময় তিনি বলেন, “আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধ থাকলে আগামীর বাংলাদেশের তারুণ্যের জন্য একটি নিরাপদ বাংলাদেশ গড়তে পারবো। সবাই জনগণকে সঙ্গে রাখবেন। কারণ জনগণই বিএনপির রাজনীতির মূল কথা। কোনও অপশক্তি বাংলাদেশকে দমিয়ে রাখতে পারবে না।”
তারেক রহমান বলেন, “নিজের হাতে আইন তুলে নেবেন না। প্রতিহিংসা, প্রতিশোধে লিপ্ত হবেন না। কেবল দৃষ্টান্ত অনুসরণ নয়, নিজেই মানবাধিকারের দৃষ্টান্ত স্থাপন করুন।”
সরকারের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন করা ছাত্র-জনতাকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, “ছাত্র-জনতার আন্দোলনে গণহত্যাকারী শেখ হাসিনার পদত্যাগের মধ্য দিয়ে প্রমাণ হয়েছে মুক্তিযুদ্ধের বাংলাদেশ পরাজিত হতে পারে না। কোনো অপশক্তি বাংলাদেশকে দমিয়ে রাখতে পারবে না।”
তিনি আরও বলেন, “শেখ হাসিনা পালিয়ে যাওয়ার পরে যত মানুষের সঙ্গে আমি কথা বলেছি, সবাই বলেছে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে। এই দেশকে স্বাধীন করতে গিয়ে সাঈদ-মুগ্ধসহ অসংখ্য মানুষ প্রাণ দিয়েছেন। শিক্ষার্থী-সাধারণ মানুষ- রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা প্রাণ দিয়েছেন। তারা স্মরণীয় হয়ে থাকবেন।”
ধর্মীয় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা নিশ্চিতের আহ্বান জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, “আমাদের মনে রাখতে হবে বাংলাদেশের ভূখণ্ডে যে যে ধর্মে বিশ্বাস করুন, তাদের নিরাপত্তা দিতে হবে। সবাই তাদের নিরাপত্তার জন্য ঢাল হয়ে দাঁড়াবেন।”
লন্ডন থেকে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, “নৈরাজ্য কোনও সমাধান হতে পারে না। আমাদের বিশ্বের সঙ্গে তাল দিয়ে এগিয়ে যেতে হবে। জ্ঞানভিত্তিক রাষ্ট্র সমাজ বিনির্মাণের লক্ষ্যে মেধার সর্বোচ্চ মূল্যায়ন করতে হবে।”
পুলিশ জনগণের শত্রু নয় এমন দাবি করে তিনি বলেন, “শেখ হাসিনা ক্ষমতায় থাকতে পুলিশকে ব্যবহার করেছেন। আমরা জানি ভেতরে একটি চক্র ছাড়া অধিকাংশ সদস্য চাকরিবিধি মেনে দায়িত্ব পালন করছে। কিন্তু শেখ হাসিনার পালিয়ে যাওয়ার পর পুলিশের মনোবল ভাঙতে একটা চক্র কাজ করছে।”