ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২২, ১২:০২ পিএম
বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সাধারণ সম্পাদক পদে নিয়ে জায়েদ খানের দায়ের করা রিটের বিষয়ে জারি করা রুলের ওপর শুনানির জন্য আগামী মঙ্গলবার দিন ধার্য করেছেন আদালত।
নিপুণের আইনজীবীর সময় আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে মঙ্গলবার হাইকোর্টের বিচারপতি মামনুন রহমান ও বিচারপতি খোন্দকার দিলীরুজ্জামানের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চে এ দিন ধার্য করেন।
শুনানিতে নিপুণের আইনজীবী ব্যারিস্টার রোকন উদ্দিন মাহমুদ বলেন, রিটে কিছু নথিপত্র সংযুক্ত করার জন্য নায়ক জায়েদ খানের পক্ষ থেকে এফিডেভিট আকারে জমা দেওয়া হয়েছে। সেগুলো আমরা আজ সকাল সাড়ে ১০টায় হাতে পেয়েছি। এসব নথিপত্র স্ট্যাডি করার জন্য আদালতের কাছে সময় চাওয়া হয়। তখন আদালত এ রুলের শুনানির জন্য আগামী মঙ্গলবার পরবর্তী দিন ধার্য করেন।
এর আগে সোমবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচনে সাধারণ সম্পাদক পদ নিয়ে হাইকোর্টের আদেশের ওপর চেম্বার আদালতের স্থগিতাদেশ এবং স্থিতাবস্থা বহাল করেন আপিল বিভাগ। একই সঙ্গে এ বিষয়ে হাইকোর্টে রুল শুনানি করতে বলেন সর্বোচ্চ আদালত।
নির্বাচনের সময় ‘ভোট কেনার’ অভিযোগ তুলে জায়েদ খানের প্রার্থিতা বাতিলের আবেদন করেন অভিনেত্রী নিপুণ আক্তার। এমনকি এ পদে পুনরায় ভোটের দাবিও তোলেন তিনি। ওই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে জায়েদ খানের পদ বা প্রার্থিতা বাতিল হবে কী না- সে বিষয়ে পূর্বঘোষণা অনুযায়ী শনিবার (৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে এফডিসিতে বসেন শিল্পী সমিতির আপিল বোর্ড। আপিল বোর্ডের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জায়েদ খানের প্রার্থিতা বাতিল করে নিপুণকে সাধারণ সম্পাদক ঘোষণা করা হয়। তারই প্রেক্ষাপটে সোমবার (৭ ফেব্রুয়ারি) আপিল বোর্ডের প্রার্থিতা বাতিলের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে আবেদন করেন চিত্রনায়ক জায়েদ খান। এর আগে জায়েদ খানের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে ৭ ফেব্রুয়ারি হাইকোর্টের একই ভার্চুয়াল বেঞ্চ এ বিষয়ে রুল জারি ও আদেশ দেন।
পরে হাইকোর্টের দেওয়া আদেশ স্থগিত চেয়ে আবেদন করেন নিপুণ। এরপর ৯ ফেব্রুয়ারি আপিল বিভাগের চেম্বার জজ আদালত হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত করে নিপুণের আবেদনটি ১৩ ফেব্রুয়ারি আপিল বিভাগের নিয়মিত বেঞ্চে শুনানির জন্য পাঠিয়ে আদেশ দেন। একই সঙ্গে শিল্প সমিতির সাধারণ সম্পাদক পদে দায়িত্ব পালনে ওই সময়ে দুই পক্ষকে (নিপুণ ও জায়েদ) স্থিতাবস্থা বজায় রাখতে নির্দেশ দেন। কিন্তু ধার্য তারিখে (১৩ ফেব্রুয়ারি) লিভ টু আপিল করার কথা জানান নিপুণের আইনজীবী। এরই পরিপ্রেক্ষিতে বিষয়টি শুনানির জন্য ছিল।