সামান্থা রুথ প্রভু।দক্ষিণের জনপ্রিয় এই অভিনেত্রীর ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে কৌতুহলের শেষ নেই আমজনতার। তামিল ও তেলেগু চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় এই অভিনেত্রীর ব্যক্তিগত জীবনের খুটিনাটি জানতে মুখিয়ে রয়েছেন ভক্তরা।

অভিনয় করতে এসেই নাগা চৈতন্যর প্রেমে পড়েছিলেন তারপরই বিয়ে। যদি সেই বিয়েও দীর্ঘস্থায়ী হয়নি। মাত্র ৪ বছর একসঙ্গে থাকার পরই বিবাহবিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত নিয়ে সকলকে চমকে দিয়েছেন নাগা চৈতন্য এবং সামান্থা রুথ প্রভু।

তবে বিচ্ছেদ হয়ে গেলেও দক্ষিণী ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি রোম্যান্টিক কাপল বললেই সামান্থা রুথ প্রভু এবং নাগা চৈতন্যর নাম উঠে আসে। তাদের জোড়ি সর্বদাই নজর কেড়েছে ভক্তদের। যদিও মাস কয়েকের মধ্যে পাল্টে গিয়েছে নাগা-সামান্থার সম্পর্কের সমীকরণ। কারণ তারা এখন প্রাক্তন। বিবাহ বিচ্ছেদের পরই তাদের সম্পর্ক নিয়ে কম জলঘোলা হয়নি।

সহবাসের সুখ ভোলা গেলে প্রাক্তনকে শরীরে বয়ে বেড়াচ্ছেন দক্ষিণের জনপ্রিয় অভিনেত্রী, এবার নাগার নাম না করেই বড়সড় বোমা ফাটালেন দক্ষিণের জনপ্রিয় অভিনেত্রী সামান্থা রুথ প্রভু।

একটা মুশকিলে পড়েছেন সামান্থা। প্রাক্তনকে নিয়ে সারা গায়ে যে ট্যাটু করিয়েছিলেন! সেগুলো এখন মুছে ফেলার ঝক্কি পোহাবেন কিনা বুঝতে পারছেন না। তবে হারে হারে বুঝছেন, যে ভালোবাসার স্রোতকে ট্যাটুর মতো চিরখোদাই না করলেও পারতেন।

সামান্থার শরীরে অন্তত তিনটি ট্যাটু আছে যেগুলো একেবারেই তাঁর প্রাক্তন স্বামী নাগা চৈতন্যর স্মৃতি বিজড়িত। তার মধ্যে একটি ট্যাটু ঘাড়ের কাছেই, যাতে লেখা ' ইয়ে মায়া চেসভ'। যে তেলেগু ছবির সেটেই দুজনের প্রথম দেখা, এবং প্রেম। সেই ছবির গোটা স্মৃতিটাই যে কাঁধে নিয়ে ঘুরছেন সামান্থা।
দ্বিতীয় ট্যাটু অভিনেত্রীর পাঁজরের হারে। সেখানে খোদাই করা 'চৈ', যা তাঁর প্রক্তনের নামের প্রথম অক্ষর। ভাইকিং ছাঁদে লেখা সেই অক্ষরের আরেক অর্থ আবার, 'নিজের বাস্তবতা নিজেই তৈরি করো।' নাগাকে আদর করে ওই নামেই ডাকতেন দক্ষিণী অভিনেত্রী। এখনও প্রেমের সেই স্মৃতি রেখে দিয়েছেন সামান্থা।

শুধু নাগার নামের ট্যাটুই নয়, সামান্থার ঘাড়ে একটি ‘ওয়াইএমসি’ লেখা ট্যাটুও আছে, যা তার ও নাগা চৈতন্যর প্রথম ছবির স্মৃতি। ওই ছবির সেট থেকেই দুই তারকার মধ্যে সম্পর্কের সূত্রপাত।

আরেকটি ট্যাটু আরওই গহীনে। সে বিষয়ে বেশি কিছু জানাননি সামান্থা। তবে নাগার সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদ ঘোষণার পর পরই আগে নেট মাধ্যম থেকে তাঁদের মিলিত সফরের যাবতীয় ছবি সরিয়ে দিয়েছিলেন। শুধু তাই নয়, যতগুলো অনুষ্ঠানে একসঙ্গে গিয়েছিলেন, সেই থেকে শুরু করে বিবাহবার্ষিকী পোস্ট, ক্রিসমাসের ছবি, সব মুছে দেন তিনি! কিন্তু ট্যাটু মুছতে পারেননি নায়িকা।

বিবাহবিচ্ছেদের পর অভিনেত্রী বলেন, “খুব খারাপ ভাবনাচিন্তা ভিড় করে আসত মনের মধ্যে। আমি ভাগ্যবতী যে, আমার খুব কাছের কিছু মানুষ ওই সময়ে আমার পাশে ছিলেন।”

সামান্থার দাবি, ‘আমি আমার বিয়ে অটুট রাখতে ১০০ শতাংশ চেষ্টা করেছিলাম। তার পরেও আমার সম্পর্ক ভেঙে যায়।”তবে আগের সেই অন্ধকার সময় থেকে অনেকটা বেরিয়ে এসেছেন বলে দাবি করেন ভারতের দক্ষিণী চলচ্চিত্রের এই জনপ্রিয় অভিনেত্রী।