রাজের রাজ্যে তো রানি হওয়াই যায়, তাই বিয়ে করেছি: পরীমনি

দ্য রিপোর্ট ডেস্ক

ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২২, ০৭:১৫ পিএম

রাজের রাজ্যে তো রানি হওয়াই যায়, তাই বিয়ে করেছি: পরীমনি

বিয়ের পর প্রথম ভালবাসা দিবস উদযাপন করেছেন ঢাকাই চলচ্চিত্রের আলোচিত নায়িকা পরীমনি ও তার অভিনেতা স্বামী শরিফুল রাজ। পরীমনিকে বিয়ে করার কথা কখনও চিন্তাও করেনি রাজ। পরীমনিও ভাবেনি রাজকেই তিনি বিয়ে করবেন। তবে শ্যুটিংয়ে  রাজকে দেখার পর পরীমনির মনে হয়েছে তাকে বিয়ে করা যায়। তখন পরীমনির মনে হয়েছ রাজ্যের রাজ্যেতো রানী হওয়াই যায়।

ভালোবাসা দিবস উপলক্ষে সম্প্রতি একটি জাতীয় দৈনিকের আয়োজনে ‘সিবিএল মাঞ্চি চাংকি চক ভালোবাসার দিনে ভালোবাসার গল্প সিজন-৪’ অনুষ্ঠানে এসব গল্প শুনিয়েছেন রাজ ও পরীমনি। মুমতাহিনা টয়ার উপস্থাপনায় এ অনুষ্ঠানে পরীমনি বলেন, “রাজের সঙ্গে দেখা হওয়ার পর মনে হয়েছে, তার রাজ্যে তো রানি হওয়াই যায়। আমিই প্রথম রাজকে প্রেমের প্রপোজ করেছি।

গত বছরের ১৭ অক্টোবর খুব গোপনে বিয়ে করেন তারা। এরপর চলতি বছরের ২২ জানুয়ারি পারিবারিক আয়োজনে ফের সম্পন্ন হয় তাদের জমকালো বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা। আপাতত সন্তান জন্মের অপেক্ষায় মধুর দিন কাটাচ্ছেন এই দম্পতি।

ভালবাসা দিবসের অনুষ্ঠানে পরীমণি আরও বলেন, “আমাদের বিয়ে করা ছাড়া কোনো উপায় ছিল না। একসঙ্গে সারাজীবন থাকার জন্যই আমরা বিয়ে করে ফেলি। রাজের সঙ্গে দেখা হওয়ার পর মনে হয়েছে, তার রাজ্যে তো রানি হওয়াই যায়।” রাজকে পছন্দের কারণ জানিয়ে নায়িকা বলেন, “রাজ যা করে তার মধ্যে একটা বাচ্চামি থাকে। ওটা দেখে মনে হয়েছে, মানুষটা তো আসলে আমার চাওয়ার মতোই।”

বিয়ের পরে নিজেদের বন্ধু নয়, স্বামী-স্ত্রী ভাবতেই ভালো লাগে পরীমনির। বলেন, “আমরা বিয়ের আগেও কখনো বন্ধু ছিলাম না। আমাদের ঘটা করে বন্ধুত্ব করা হয়নি। বন্ধুরা যেমন সময় কাটায়, সেভাবে সময়ও কাটানো হয়নি।’ তবে শরিফুল রাজ বলেন, ‘এখন আমরা বন্ধুর মতো সময় কাটাচ্ছি।”

অন্যদিকে পরীর প্রেমে পড়ার কারণ হিসেবে রাজ বলেন, “‘আমাদের ভালোবাসার গল্প শুরু হয়েছে গিয়াস উদ্দিন সেলিম পরিচালিত “গুনিন”–এর সেট থেকে। আসলে আমাদের সবকিছু হুটহাট করে হওয়া।’

মাঝখানে পরীমনি যোগ করেন, “আমার “গুনিন” সিনেমাতেও হুট করে জয়েন করা। কে আমার সহশিল্পী, সেটাও দেখার সুযোগ পাইনি। গিয়াস উদ্দিন সেলিম ভাই আমাকে সিনেমার জন্য বলেছেন, তাই আমি সিনেমায় জয়েন করেছি। আমার কাছে গল্প, কোথায় শুটিং হবে বা অন্য কিছু দেখার দরকার হয়নি। সিনেমাটি গিয়াস উদ্দিন সেলিম বানাচ্ছেন, এটাই আমার কাছে বড় বিষয়।”

কী দেখে পরীমনি প্রেমে পড়েছিল এবং ভালোবেসেছিল- এমন প্রশ্নে রাজ বলেন, “শুটিংয়ের কিছুদিন আগে আমার একটা দুর্ঘটনা ঘটে। আমার হাত ভাঙা ছিল। আমি ভাঙা হাত নিয়েই শুটিং যাই। যেহেতু আমি ডান হাত ব্যবহার করতে পারতাম না তাই বাঁ হাত দিয়ে খাবার খাওয়াসহ অন্য সব কাজ করতাম।পরী এটা খেয়াল করে। এরপর আমি যখনই ভাত খেতাম, পরী আমাকে নিজের হাত দিয়ে খাইয়ে দিত।”

স্ত্রী হিসেবে পরীমনি কেমন? রাজের উত্তর, অসাধারণ, অসাধারণ এবং অসাধারণ। রাজ স্বামী হিসেবে কেমন প্রশ্নের উত্তরে এক কথায় পরীমনি বলেন, “পারফেক্ট স্বামী”।

প্রসঙ্গত, মাত্র ১০১ টাকা কাবিনে পারিবারিক আয়োজনে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করেন রাজ-পরী। চলচ্চিত্র পরিচালক রেদওয়ান রনি ওই বিয়েতে উকিল বাবার দায়িত্ব পালন করেন।

Link copied!